1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নাসির ও তামিমার মামলার রায় ঘোষণার দিন—১০ জুন চীন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে

খুলনায় ভৈরব নদ থেকে উদ্ধার লাশ চরমপন্থী সদস্য ঘাউড়া রাজীবের

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬

খুলনার ভৈরব নদে অজ্ঞাতনামা যুবকের লাশ উদ্ধার করার পর তার পরিচয় জানা গেছে। তাঁর নাম রাজীব হোসেন, একই সঙ্গে তিনি ঘাউড়া রাজীব নামে পরিচিত। পুলিশ জানিয়েছে, রাজীবের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি সহ মোট ১৪টি মামলা রয়েছে। তিনি পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির (এমএল) শক্তিশালী ক্যাডার ছিলেন। তিন মাস আগে গোপালগঞ্জের মোকছেদপুর থেকে খুলনায় এসেছিলেন।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে রাজীবের লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে, গতকাল শুক্রবার খুলনার ৬ নম্বর ঘাট এলাকার ভৈরব নদে দুটি লাইটার ভেসেলে মাঝখান থেকে তার ভাসমান লাশ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ।

খুলনা নৌ পুলিশ সদর থানার ওসি বাবুল আক্তার বলেন, লাশটি প্রথমে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, রাজীবের মাথার পেছনে গভীর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, যা তার মৃত্যুর কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

অতিরিক্ত তিনি বলেন, রাজীবের বিরুদ্ধে খুলনার বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। তদন্তে জানা গেছে, তিনি অপরাধ করে তার মামা বাড়ি গোপালগঞ্জের মোকছেদপুরে আশ্রয় নিতেন। পরিবার আইনগত ব্যবস্থা নিলে আসল তথ্য বেরিয়ে আসার আশা রয়েছে।

বাবুল আক্তার আরও জানান, ৩ জানুয়ারি থেকে রাজীব নিখোঁজ ছিলেন। এক সপ্তাহ بعد তার ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়, যার মানে হয়তো নিখোঁজের দিনই তাকে হত্যা করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে রাজীবের দ্বিতীয় স্ত্রী ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, ‘আমরা একজন বছর আগে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হই। বিয়ের পর আমরা গোপালগঞ্জের মোকছেদপুরের রাজীবের মামা বাড়িতে অবস্থান করছিলাম। ডিসেম্বরে খুলনার দিঘলিয়ার এক ভাড়া বাসায় থাকছিলাম। তার আগে কিছু জানা না থাকলেও, বিয়ের সময় তার পরিবার সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানতাম না।’

ঘটনার বিস্তারিত বিবরণে ফারহানা জানিয়েছেন, শনিবার রাতে মোবাইলে একটি ফোন আসে। বিকাশ থেকে টাকা তুলতে বলে সে বের হয়ে ফিরে আসেনি। এরপর থেকেই তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

তিনি আরো বলেন, রাজীব কমিউনিস্ট পার্টির সক্রিয় ক্যাডার ছিলেন। তার বিরুদ্ধে ১৪টি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে সাতটি মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে এবং সাতটি এখনও তদন্তাধীন।

প্রথম স্ত্রী লিয়া খাতুন বলেন, ‘আমাদের বিয়েটা ২০১৬ সালে হয়। তখন তার ডান হাতের রগ কেটে দেয়া হয় সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে। চার বছর আগে আমাদের সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়। শনিবার সকালে তার মৃত্যুর খবর শুনে তিনি খুলনায় আসেন।’

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo