1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারে আহত রাফি মারা গেলেন মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ দুদক কমিশনার নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে রাফির মৃত্যু গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড

ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা ছাড়া মূল্যস্ফীতি কমানো সম্ভব নয়: অর্থ উপদেষ্টা

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬

অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, শুধুমাত্র সরকারের পক্ষে মূল্যস্ফীতির হার কমানো সম্ভব নয় যদি না ব্যবসায়ীরা তাদের সহযোগিতা প্রকাশ করে। তিনি আজ শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ব্যাংকিং অ্যালমানাকের সপ্তম সংস্করণের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন।

সালেহউদ্দিন আহমেদ জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্যাংক ঋণের সুদের হার কমানো খুবই চ্যালেঞ্জিং। তিনি বলেন, ব্যাংকিং খাত বেশ স্থিতিশীল হয়েছ, কিন্তু এখনি সুদের হার কমানো সহজ নয়। তিনি উল্লেখ করেন, ব্যবসায়ী ও কমিউনিটির সহযোগিতা ছাড়া সরকারের পক্ষে মূল্যে নিয়ন্ত্রণ আনা কঠিন।

অর্থ উপদেষ্টা আরও জানান, দীর্ধ দিন ধরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ব্যাংক খাতে বেশ অনিয়মের মাধ্যমে কিছু সুবিধাভোগী ঋণ নিয়ে লোপাট ও অর্থ পাচার করেছে, যার ফলে ব্যাংক খাতের অবস্থা খুব খারাপের দিকে গড়িয়েছে। পরবর্তীতে অস্থায়ী সরকারের সময় এসব দুর্নীতির তথ্য বের হয়ে আসে এবং ব্যাংকখাতে নানা সংস্কার চালু হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া বড় চ্যালেঞ্জ হলেও বর্তমানে ব্যাংকিং খাত বেশ স্থিতিশীল। তবে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ব্যাংক সুদের হার কমালে সমাধান হয় না, কারণ মূল্যস্ফীতি কেবল আর্থিক নীতির ওপর নির্ভর করে না। তিনি ব্যাখ্যা করেন, ট্রেজারি বিলের হার কমে গেছে, যা বাজারে প্রতিফলিত হচ্ছে। যদি সরকার ট্রেজারি বিল বা ঋণ বাড়ায়, তবে মানুষ ব্যাংকে অর্থ রাখবেন না, বরং সঞ্চয়পত্র বা ট্রেজারি বিলের দিকে ঝুঁকবে, যা অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর। তিনি বলেন, ব্যাংক সংস্থাগুলি মূলত সঞ্চয় ও ক্রেডিটের মাঝে সম্পর্ক তৈরি করে, যা ব্যাংকারদের পাণি।

অর্থাৎ, তিনি জোর দিয়ে বলেন, ব্যাংকিং খাত সাধারণত স্থিতিশীল থাকলেও, ইনফ্লেশনের মাত্রা উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। তিনি ব্যাখ্যা করেন, ইনফ্লেশন নিয়ন্ত্রণের জন্য শুধুমাত্র মনিটারি নীতিই যথেষ্ট নয়, বরং অর্থনীতির অন্যান্য দিক নিয়েও নজর দিতে হবে। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, শুল্ক বা জরিমানা দেওয়ার মাধ্যমে বা চাঁদাবাজি করে সমস্যা সমাধান হয় না।

অর্থ উপদেষ্টা মন্তব্য করেন, কমিউনিটি, হোলসেলার ও রিটেইলার ট্রেডারদেরও সহায়তা দরকার। বাজারের স্বচ্ছতা ও মনিটরিংয়ের জন্য সরকারের সহায়তা জরুরি। তিনি বলেন, এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য ফিসক্যাল ও মনিটারি নীতির পাশাপাশি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ সংস্থা ও অন্যান্য সংগঠনের সহযোগিতা ও সজাগ দৃষ্টি দরকার।

অনুষ্ঠানে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, এখনো দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তিনি মনে করেন, দেশের অর্থনৈতিক স্বস্তি আনার জন্য অর্থনৈতিক সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। তিনি পরবর্তী সরকারকে সব ক্ষেত্রে নজরদারি বাড়ানো এবং অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানান।

এছাড়া, অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নুরুন নাহার, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিবিএ) চেয়ারম্যান আবদুল হাই সরকারসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo