1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গভর্নরের আহ্বান: সরকারি ফি-চার্জ আদায়ে বাংলা কিউআর ব্যবহার করুন বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন সাময়িক বরখাস্ত বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন সাময়িক বরখাস্ত তিস্তা বিপৎসীমার কাছাকাছি: চার জেলায় পানিবন্দি ৬ হাজার পরিবার আগামী পাঁচ দিনে দেশজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারে আহত রাফি মারা গেলেন মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ

জাপা ও এনডিএফ প্রার্থীদের প্রার্থিতা কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্টের রুল

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি (জিএম কাদের নেতৃত্বাধীন) এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ), যার নেতৃত্বে আছেন আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, তাদের প্রার্থীদের প্রার্থিতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, সেটিই জানতে চেয়ে হাইকোর্টে রুল জারি করা হয়েছে। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) বিচারপতি রাজিক আল জলিলের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল প্রদান করেন। এই মামলা নিস্পত্তির জন্য শুনানি করেন ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির।

গত সপ্তাহে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের বিরুদ্ধে এই ধরনের নিষেধাজ্ঞার নির্দেশনা চেয়ে একটি রিট দায়ের করা হয়। রিটকারী ছিলেন ভোলার বাসিন্দা আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, যিনি ২০১৭ সালের সামরিক অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ করেছিলেন। এই রিটের সঙ্গে বিবাদী হিসেবে যুক্ত ছিলেন আইনসচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশন সচিব।

উল্লেখ্য, জাতীয় পার্টি (জিএম কাদের) ২৪৩ আসনের মধ্যে প্রার্থী ঘোষণা করে। ২৬ ডিসেম্বর গুলশানের লেকশোর হোটেলে মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেন। অন্যদিকে, জাতীয় পার্টির (আনিসুল ইসলাম) পরিচালনায় নতুন জোট জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট ১১৯ আসনে ১৩১ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে।

আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবির তার যুক্তিতে বলেন, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট মহাজোট হিসেবে পরিচিত। এই মহাজোটের সদস্যরা জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো অপরাধে যুক্ত। এতে বলা হয়, এই সংগঠনের কিছু অংশ—যেমন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ), জাতীয় পার্টি (এরশাদ ও মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন), তরিকত ফেডারেশন—ও অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে। তাই, সংবিধানের ৬৬(২)(ঙ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, তারা নির্বাচনের জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।

অতিরিক্তভাবে, তিনি উল্লেখ করেন, সরকার বিভিন্ন প্রজ্ঞাপন দিয়ে আওয়ামী লীগ, এর অঙ্গসংগঠন ও সহযোগী সংগঠনগুলোকে নিষিদ্ধ করেছে। যার অর্থ, আওয়ামী লীগের সকল অঙ্গসংগঠন, এবং এর সহযোগী সংগঠন—যেমন ১৪ দল ও জাতীয় পার্টি—সবই এই কার্যক্রমে যুক্ত। ভ্রাতৃপ্রতিম হিসেবে পরিচিত দেশের গুরুত্বপূর্ণ দলগুলো তার নীতি ও আদর্শ সমর্থন করে আসছে। এইসব দলের প্রার্থীরা কিভাবে নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে বৈধতা পেতে পারে, সেটাই প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo