1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নাসির ও তামিমার মামলার রায় ঘোষণার দিন—১০ জুন চীন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে

কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৩.৫ বিলিয়ন ডলার কিনেছে

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী, ২০২৬

চলতি বছরে বাংলাদেশের প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য একটা সুসংবাদ। প্রবাসীদের পাঠানো বৈদেশিক মুদ্রার এ প্রবাহের ফলে ব্যাংকগুলোতে অতিরিক্ত ডলার জমা হয়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ধারাবাহিকভাবে ডলার কিনছে, যাতে বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় থাকে এবং অর্থনৈতিক অস্থিরতা না হয়। রোববার, তিনটি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে মোট ১১ কোটি ডলার কেনা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মাল্টিপল প্রাইস অকশন (এমপিএ) পদ্ধতিতে এ ক্রয়ে ডলারের বিপরীতে এক্সচেঞ্জ রেট ছিল প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এই মাসে, ডিসেম্বরের প্রথম থেকে ২০ তারিখের মধ্যে, বাংলাদেশ ব্যাংক মোট ৯২ কোটি ডলার কিনেছে। এখন পর্যন্ত চলমান ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের মোট ডলার কিনার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩,৫৬০ মিলিয়ন বা ৩.৫ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, এই মাসে ১ থেকে ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে প্রবাসী বাংলাদেশীরা ২১৭ কোটি ২১ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৯.৫ শতাংশ বেশি। গত বছর এ সময় প্রবাসী আয়ের পরিমাণ ছিল ১৯৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার। অর্থাৎ, বছরজুড়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে বেশ কয়েকগুণ। এই সময়ের মধ্যে, জুলাই থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে, দেশের রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৫২১ কোটি ডলার, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ১ হাজার ৩১২ কোটি ডলার। এর মাধ্যমে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ প্রায় ১৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডির প্রতিরোধ, সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ, প্রণোদনা ও ব্যাংকিং ব্যবস্থা উন্নতির কারণে এই ধারা অব্যাহত রয়েছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও সুস্থির রাখতে সাহায্য করছে। সর্বশেষ, নভেম্বর মাসে, প্রবাসী বাংলাদেশীরা দেশের জন্য মোট ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার পাঠিয়েছে, যা স্থানীয় মুদ্রায় প্রায় ৩৫ হাজার ২৫২ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)। এই সব তথ্য দিয়ে বোঝা যায়, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী ও স্থিতিশীল থাকায় অর্থনীতিতে স্বস্তির পরিবেশ বজায় রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo