1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৪৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ইসি অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে সাংবাদিক কার্ড নির্বাচন কমিশন: সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণা চালাতে পারবেন না দুদক অনুমোদন: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইকবাল ও সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা নির্বাচনে নেই যারা, তাদেরকেই গণ্ডগোলের কথা বলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ঢাকা–করাচি নন-স্টপ ফ্লাইট কাল থেকে শুরু ড. মুহাম্মদ ইউনূস না আসায় ৩৩২ নম্বর এআইকে পাঠালেন প্রধান উপদেষ্টা ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিতের জন্য রিট দাখিল অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি প্রধান উপদেষ্টার কাছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস

আবার ৮ মাত্রার বেশি ভূমিকম্পের আশঙ্কা প্রকাশ

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

ভূমিকম্পের আতঙ্ক এখন পুরো বাংলাদেশে। গত ২১ নভেম্বর ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্পের পরে নাটকীয়ভাবে উত্তরোত্তর আফটার শক অনুভূত হয়েছে। মহানগর ঢাকাসহ পুরো দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এর প্রভাব পড়ছে। বৃহস্পতিবার ভোর ৬:১৫ মিনিটে দেশ জুড়ে ৪.১ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়, পাশাপাশি চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জিনজিয়াং অঞ্চলে ৬.০ মাত্রার এক শক্তিশালী কম্পন দেখা যায়।

অন্যদিকে, বাংলাদেশে ঘটমান ভূমিকম্পের প্রকৃতি পরিবর্তন হচ্ছে বলে সতর্কতা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। ঢাকা ও তার আশপাশে বেশ কয়েকটি ভূকম্পন ঘটছে, যার কিছু নরসিংদীর মাধবদী থেকে সূত্রপাত হলেও পরবর্তীতে ঢাকাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোর ওপরও বেশ প্রভাব ফেলছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যানুসারে, ২০২৫ সাল পর্যন্ত দেশটিতে মোট ৭৬টি ভূমিকম্প ঘটেছে। আন্তর্জাতিক মহল এই সময়ের ভূমিকম্পের ঘটনাকে ইন্ট্রাপ্লেট ইভেন্ট হিসেবে চিহ্নিত করছে।

প্রাক্তন বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এ কে এম শাকিল নেওয়াজ বলেছেন, ভূপৃষ্ঠের মূল শকের প্রভাব রিখটার স্কেলে ৭.৮ বা তার বেশি হতে পারে, এরপর আসবে আফটার শক। তাঁর মতে, এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমাদের জন্য ব্যাপক চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে।

জিপিএস পরিমাপ বলছে, দেশের ফল্ট এলাকাগুলো প্রতি বছর কিছু মিলিমিটার সরছে, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের ভূমিকম্পের সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে দেয়। বিশেষ করে সিলেট, ময়মনসিংহ, সুনামগঞ্জের দৌকি ফল্ট, ঢাকা ও টাঙ্গাইলের মধুপুর ফল্ট এবং চট্টগ্রাম-মিয়ানমার উপকূলীয় অঞ্চলে ঝুঁকি বেশি।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, পর্যবেক্ষণ যথাযথ না হলে বা জনসচেতনতা তৈরি না হলে, বড় ধরনের ভূমিকম্প থেকে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে পরিবহন, পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।

গত ২১ নভেম্বর সকাল ১০:৩৮ মিনিটে ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে দেশের বেশ কিছু এলাকা। এর কেন্দ্র ছিল নরসিংদীর মাধবদী। এতে বেশ কিছু ভবনে ফাটল ধরতে দেখা যায় এবং কমপক্ষে ১১ জনের প্রাণহানি ঘটে। এতে আহত হন তিন শতাধিকের বেশি মানুষ।

এর পরের দিন, ২২ নভেম্বর পলাশ ও মাধবদীতে ৩.৩ এবং ২৭ নভেম্বর পলাশের ঘোড়শালে ৩.৬ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তখনই সিলেট ও কক্সবাজারের টেকনাফে দুই দফা ভূকম্পনের ঘটনা ঘটে।

অবশেষে, ১ ডিসেম্বর সোমবার রাত ১২:৫৫ মিনিটে ঢাকাসহ সিলেট, কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে নতুন করে ভূমিকম্প অনুভব করা হয়। সেই রাতে অনেকেই টের পান। এ ছাড়া, বঙ্গোপসাগরে নিয়মিত স্বল্পমাত্রার ভূমিকম্পের ঘটনাও অব্যাহত রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo