1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু; পাউবো প্রকৌশলী দম্পতি দুই দিনের রিমান্ডে সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে

সৈনিক লীগ নেতা থেকে মুরগির ফার্মের মালিক—টিভির লাইসেন্স পেয়েছেন কথিত রাজনৈতিক প্রভাব দিয়ে

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৫

প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেছেন, বিগত সরকারের আমলে অনেকের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে টেলিভিশন চ্যানেলের লাইসেন্স লাভ করা হয়। তিনি এই মন্তব্য করেছেন বুধবার (৮ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে।

আজাদ উল্লেখ করেছেন, সম্প্রতি দুটি নতুন টিভি চ্যানেলকে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, যার খবর গতকাল প্রথম আলো একটি মূল্যবান রিপোর্ট দিয়ে প্রকাশ করেছে। তিনি বলেছেন, এই রিপোর্টের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল আমাদের জন্য যে, বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতীক এই তথ্যগুলোকে আমরা ব্যবহার করতে পারি।

প্রেস সচিবের ভাষ্য, সাধারণ মানুষের জন্য জানা জরুরি, কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কোন চ্যানেলের মালিকানা পেয়েছেন। বর্তমানে বাংলাদেশে ৫০টির বেশি টিভি চ্যানেল লাইসেন্স পেয়েছে, যাদের মধ্যে ৩৬টি এখন কার্যক্রমরত।

তিনি বলেন, এই ৩৬টি চ্যানেলের মালিকদের নামের তালিকা গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন স্পষ্টভাবে প্রকাশ করেছে। একজন সৈনিক লীগ নেতার থেকে শুরু করে মুরগির ফার্মের মালিক, সরকারি দলের সাংসদ, সাংসদদের ভাই-ভাতিজা, শাশুড়িও এই তালিকায় রয়েছেন। মূলত রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে অনেকেই টিভি লাইসেন্স পেয়েছেন।

আবুল কালাম আজাদ উল্লেখ করেন, এ বিষয়ে মিডিয়া কোনো মন্তব্য করেনি, হয়তো তাদের সদিচ্ছা কিংবা স্বাধীনতার অভাব ছিল। তবে এখন তারা স্বাধীনভাবে রিপোর্ট করতে পারছে।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, গণমাধ্যম এই স্বাধীনতা ব্যবহারে সচেতন হবে। যদি কোনো নিয়ম লঙ্ঘন ঘটে, তখন সেটাও রিপোর্ট করবে। এই ফ্রিডম, যা অতীতে তারা ব্যবহার করতে পারেনি, সেটিও এখন প্রকাশ্য।

সবশেষে, তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যমের এই স্বাধীনতা আমাদের সমাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে খুবই জরুরি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo