বিএনপি যদি আবারো ক্ষমতায় আসে, তারা দেশের অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল ইমাম, খতিব ও মুয়াজ্জিনদের জন্য সম্মানী ভাতা প্রদানের পরিকল্পনা করছে বলে দলীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানিয়েছেন। রোববার রাজধানীর শেরেবাংলানগরে চীন
চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের সাবেক আমির ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য শাহাজাহান চৌধুরীর সেই বিতর্কিত বক্তৃতা উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। তার বক্তব্য, ‘প্রশাসন আমাদের কথায় উঠবে, আমাদের কথায় বসবে’, এ কথার পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাপক
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তারা ক্ষমতায় গেলে গণমাধ্যমের সংস্কারকে অগ্রাধিকার হিসেবে দেখবেন। আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর) চীনা মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার-বিজেসি আয়োজিত ‘মीडिया সংস্কার প্রতিবেদন
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি পর্বে, জামায়াতের প্রার্থীরা আর কোনও মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার মাধ্যমে প্রচারণা চালাতে পারবেন না। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে রিপোর্ট আসে যে, জামায়াতের মনোনীত প্রার্থীদের মোটরসাইকেল
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৬১তম জন্মদিন আজ। এই বিশেষ দিনে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি হৃদয়স্পর্শী পোস্টে জানান জাতির উন্নয়নে নারীর নিরাপত্তা ও ডিজিটাল যুগের চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা তার মূল
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের রায়ে জাতির দীর্ঘদিনের কলঙ্ক অনেকাংশে মোচন হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন। তিনি এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং এটি দেশের
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীসহ আরও আটটি দল আসন সমঝোতার ভিত্তিতে অংশ নিতে পারে বলে ধারণা প্রকাশ করছে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টরা। অনেকের মতে, বিভিন্ন দলের আলাদ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নির্বাচনকে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, শেখ হাসিনার বিচার আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে এবং তার রায়ও বাস্তবায়িত হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, যারা ফ্যাসিবাদী প্রবণতা দেখাচ্ছেন, তাদেরই এই ধরনের
বিএনপি মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে এখনো ‘পিআর’ বা ‘গণভোট’ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা তৈরি হয়নি। তিনি উল্লেখ করেন, এই বিষয়গুলো সম্পর্কে সাধারণ মানুষ এখনো অবগত
সরকারের উৎখাতের পর গঠিত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিভিন্ন নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিধি ও আইনে বাস্তব পরিবর্তন আনতে গিয়ে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে পর্যাপ্ত আলোচনা না করার জন্য বিরোধী দল ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা ক্ষোভ