মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং সেখানকার আকাশপথে তৈরি হওয়া নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে গুরুত্বপূর্ণ বিমানের শিডিউলে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের। পরিস্থিতি বিবেচনায় আধাসংগঠিত এই সংস্থা ঘোষণা করেছে
জ্বালানি, জটিল পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক যুদ্ধের কারণে দেশব্যাপী তেল সরবরাহ নিয়ে সৃষ্টি হওয়া উদ্বেগের মধ্যে বাজে কোনো পরিস্থিতির আশঙ্কা নেই বলে স্পষ্ট করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জানিয়েছেন, সংসদীয় ব্যবস্থার অনুযায়ী আগামী সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ভাষণ দেবেন। এ ব্যাপারে সব ধরনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। আজ শনিবার গুলশানে
মধ্যপ্রাচ্যের আধুনিক পরিস্থিতির কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়া এবং বেশ কয়েকটি দেশের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ থাকায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গত সাত দিনে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের এক শতাধিক ফ্লাইট
দেশে তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলে মনে করছে সরকার। জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানিয়েছেন, আগামী ৯ মার্চ একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ দিন, কারণ সেই দিনই দেশে আসবে
মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তাজটিলতার কারণে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সাম্প্রতিক সময়ে বিপুলসংখ্যক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ মার্চ পর্যন্ত মোট ২৬৮টি ফ্লাইট
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, দেশে তেলের যথেষ্ট মজুত আছে; তাই সাধারণ মানুষকে উদ্বিগ্ণ হওয়ার দরকার নেই। তিনি জানান, আগামী ৯ মার্চ দেশে তেলবাহী দুটি
মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান নিরাপত্তাহীনতার প্রেক্ষিতে কয়েকটি দেশের আকাশসীমা সাময়িক বন্ধ রাখায় গত অল্প দিনের মধ্যে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বহু ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) জানিয়েছে,
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, তাই উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। তিনি জানিয়েছেন যে আগামী ৯ মার্চ দুইটি তেলবাহী ভেসেল
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে সকল বিমান পরিবহন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সেনাবাহিনী। এই হামলার জবাবে তেহরান মার্কিন ও ইসরায়েলি স্থাপনা ও সামরিক