বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ফের কমে দাঁড়িয়েছে। অক্টোবর–ডিসেম্বরে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩ দশমিক ০৩ শতাংশ, যা গত প্রান্তিকের
২০২৫ সালের শেষের দিকে বাংলাদেশে খেলাপি ঋণের ভয়াবহ চিত্র প্রকাশ পেয়েছে। জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করেছেন। এর মধ্যে ১০টি প্রতিষ্ঠানই এস
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মানুষের মোট গড় আয় বর্তমানে ২ হাজার ৭৬৯ মার্কিন ডলার। এই ইতিবাচক দিকের পাশাপাশি, সরকার আগামী এক দশকে দেশের অর্থনীতি এক ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর একটি বিশাল লক্ষ্য
দেশের বাজারে টানা চার দফা মূল্যবৃদ্ধির পর স্বর্ণের দাম কিছুটা কমেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের
২০২৪ সালে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের জন্য একটি সংগ্রামপূর্ণ বছর ছিল। অর্থনৈতিক চাপ ও অনিশ্চয়তার কারণে একাধিক ব্যাংক নিট মুনাফা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। যেখানে কিছু ব্যাংক ভালো মুনাফা করলেও, বেশিরভাগ ব্যাংকের
চলমান অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে দেশের মোট জিডিপির বৃদ্ধির হার আবার কমে গেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মঙ্গলবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে, অক্টোবর-ডিসেম্বরে জিডিপির বৃদ্ধি হার ছিল ৩.০৩ শতাংশ, যা এর
২০২৪ সালে দেশের ব্যাংক খাত সংকটে পড়েছে; বছরজুড়ে ১৭টি ব্যাংক নিট মুনাফা করতে পারেনি এবং যেগুলো মুনাফা করেছে, তাদেরও আয় প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম ছিল। ফলে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর)
চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির হার ফের কমে ৩.০৩ শতাংশে নেমে এসেছে। এখানকার আয়তকালে (অক্টোবর–ডিসেম্বর) হওয়া এই প্রবৃদ্ধি প্রতি প্রান্তিকে গত জুলাই–সেপ্টেম্বরের ৪.৯৬ শতাংশের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে
২০২৪ সালে বাংলাদেশে ব্যাংক খাতের মুনাফা প্রবল চাপে পড়ে। সেই প্রভাব সর্ম্পকে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) খাতেও পড়েছে—ব্যাংকগুলোর সিএসআর ব্যয় প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সিএসআর সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন
জাতীয় সংসদে প্রকাশ করা হয়েছে দেশের শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপি প্রতিষ্ঠানের নাম—চিত্রটা যতোটুকু ভয়াবহ ছিল ততটাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ ব্যাংকিং