প্রসিদ্ধ সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলে দীর্ঘ আট দশকেরও বেশি সময় ধরে সংগীতের জগতে নিজেদের আলাদা স্থান করে নিয়েছিলেন। উল্লেখযোগ্য তার কণ্ঠের মাধুর্য্য ও বহুমুখী প্রতিভার জন্য। রোববার (১২ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের ব্রিচ
ভারতের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলে রোববার চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁর মৃত্যু হয়। শনিবার
সুরের রানী আশা ভোঁসলের শেষ বিদায় দেওয়া হলো দেশব্যাপী মর্যাদার সাথে। তার মহাপ্রস্থানের মুহুর্তে পুরো বলিউড কাঁদতে শুরু করে। রণবীর সিং থেকে শুরু করে শীর্ষস্থানীয় তারকারা উপস্থিত ছিলেন এই শোকসভায়।
ভারতীয় সংগীতের একজন অগ্রগণ্য শিল্পী আশা ভোসলে সোমবার মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে পঞ্চভূতিতে মিলিয়ে গেলেন। তার শেষকৃত্যটি সম্পন্ন হয় পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায়, যেখানে উপস্থিত হন পরিবারের সদস্য, সহকর্মী, এবং লাখো ভক্ত-অনুরাগীরা।
ভারতীয় সংগীতের ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়ের অবসান ঘটল। কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোসলে ৯২ বছর বয়সে মুম্বইয়ে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁর প্রয়াণে সংগীত জগতে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। গতকাল রোববার
ভারতের কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে রোববার চিকিৎসাধীন অবস্থায় অনন্তলোকে চলে গেছেন। ১২ এপ্রিল মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ৯২ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়। তাঁর প্রয়াণে সঙ্গীতজগতে গভীর শোক নেমে এসেছে
ভারতীয় উপমহাদেশের সুপরিচিত সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই। সোমবার বিকেলে মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্ক শ্মশানে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়; মুখাগ্নি দেন তাঁর ছেলে আনন্দ ভোঁসলে। এই বিদায়ের মূহুর্তে
ভারতের কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে রোববার (১২ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। তার প্রয়াণে ভারতীয় সংগীত অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে
ভারতীয় উপমহাদেশের খ্যাতিমান সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই। সোমবার বিকেলে মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্ক শ্মশানে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অনুষ্ঠিত শেষকৃত্যে তার দাহকার্য সম্পন্ন হয়; শেষকৃত্যে মুখাগ্নি দেন তাঁর ছেলে আনন্দ ভোঁসলে।
ভারতীয় উপমহাদেশের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই। সোমবার বিকেলে মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্ক শ্মশানে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। শেষকৃত্যে তাঁর মুখাগ্নি দেন ছেলে আনন্দ ভোঁসলে—এই মুহূর্তে নিভে