আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনের নির্বাচন কমিশন আনিসুল ইসলাম মাহমুদের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছে। ওইদিন দুপুরে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দিনের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। মনোনয়নপত্রের স্বাক্ষর
খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, এত বড়ো জানাজা, এত সম্মান, এত মানুষের আবেগঘন উপস্থিতি বাংলাদেশের ইতিহাসে আর কখনো দেখা যায়নি। কোন রাজনীতিকের শেষ বিদায়ের এমন দৃশ্য
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঝিনাইদহ-৪ আসনের (কালীগঞ্জ ও সদর উপজেলার অংশবিশেষ) মনোনয়নপত্র সংগ্রহের ক্ষেত্রে বেশ প্রচুর আগ্রহ দেখা গেছে। মোট ১১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও অবশেষে ৯
খুলনা ওয়াসার বিভিন্ন কর্মকর্তার অনুপস্থিতির কারণে পরিষ্কারভাবে দেখা যায় যে তারা উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঝুমুর বালার অপসারণের জন্য আন্দোলনে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন। এই বিষয়ে জানা গেছে, শোক দিবস ও সাধারণ ছুটির
খুলনা মহানগর বিএনপি উদ্যোগে দেশবরেণ্য নেতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানাতে শোক বই খোলা হয়েছে। এই শোক বইটি খোলা হয়েছে দলীয়
খুলনা মহানগরী ও পূর্ব রূপসা এলাকায় এখন বিভিন্ন স্থানে পোস্টার দেখা যাচ্ছে, যেখানে আঁকা হয়েছে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গলা তোড়া ভাষা এবং আওয়ামী লীগের অশুভ স্লোগান। এসব পোস্টারে লেখা রয়েছে, ‘দেশদ্রোহীর
অপহরণের মামলার সূত্র ধরে বটিয়াঘাটায় উদ্ধার হওয়া মাথাবিহীন এক নারীর মৃতদেহের রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), খুলনা। দীর্ঘ চার দশকের তদন্ত ও ৪০ দিনের কঠোর অভিযানের পর
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে খালেদা জিয়াকে তার দৃঢ় সিদ্ধান্তের জন্য আলাদা করে চেনা যায়। স্বৈরশাসক এইচ এম এরশাদের অধীনে ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে অংশ নিলেও, তিনি সেই পথ পছন্দ করেননি। আসন্ন তালিকার
অশ্রুসিক্ত ভালোবাসা, নিঃশব্দ কাঁন্না ও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে ঢাকা পড়ে যায় মানিক মিয়া এভিনিউ। সেই জনসমুদ্রে খুলনার সাধারণ মানুষও একসূত্রে আবদ্ধ হয়ে যান। সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা
সারাদেশের বিভিন্ন জেলায় বিএনপি’র চেয়ারপার্সন ও ত্রিবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানাতে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিভিন্ন অঞ্চলে এ জানাজার আয়োজন করা হয়।