আজকের দিনেই কেন্দ্রীয়ভাবে ক্রাউড ফান্ডিংয়ের মাধ্যমে নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি। এই সিদ্ধান্তটি দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ জানিয়েছেন। তিনি তাঁর ভাষণে বলছেন, তারা আর
জনগণের রায় পেলে জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করলে শুধু দলীয় নেতা-কর্মীরাই নয়, যোগ্য ও প্রতিভাবান ব্যক্তিদেরকেও মন্ত্রীত্বের মর্যাদা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দলের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
অতীতে বাংলাদেশকে স্বীকার না করে যারা তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচার চালাচ্ছিল, আজ তারা এখন সবচেয়ে বেশি দুষ্টামি করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি)
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় নির্বাচনী জোটের শরিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবার নিজেদের নির্বাচনী প্রার্থীর সংখ্যা আরও বাড়িয়ে ৩০ এ নিয়ে এসেছে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে গণমাধ্যমকে দলের
নির্বাচন কমিশনের ওপর সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, আমাদের বিশ্বাস, নির্বাচন কমিশন তাদের যোগ্যতা এবং স্বচ্ছতার ভিত্তিতে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে, তরুণ নেতৃত্বের গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি আসনের মধ্যে ২৭টিতে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। তারা এই নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলে থাকা
দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে এনে তেলআবাদের বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় আনুকূল্য লাভের জন্য একটি রাজনৈতিক দল কৌশলগত পরিকল্পনা করছে বলে অভিযোগ তুলেছে বিএনপি। বুধবার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায়
নির্বাচন কমিশনের আপিলের রায়ে বিএনপি প্রার্থীদের অনৈতিক ও নিয়মবহির্ভূত সুবিধা দিচ্ছে বলে cáoит এনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ না নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির মুখপাত্র
নির্বাচনী রাজনীতিতে পারস্পরিক সৌজন্য এবং রাজনৈতিক শিষ্টাচারের শক্তিশালী উদাহরণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে এই সিদ্ধান্তকে। ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করিমের সম্মান বজায় রাখতে এবং তার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের
নির্বাচন কমিশনের প্রতি ইতিবাচক আস্থা রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন তাদের যোগ্যতা ও নৈতিকতার ভিত্তিতে সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করবে,