৭৪তম বিশ্ব সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী তানজিয়া জামান মিথিলা বিশাল ভোটের ব্যবধানে শীর্ষ জায়গায় রয়েছেন। বাংলাদেশে আসা এই সুখবরটি নিশ্চিত করেছে জাতীয় পর্যায়ের সুন্দরী প্রতিযোগিতার প্ল্যাটফর্ম মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ। সোমবার
জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে ঢাকার একটি আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এই আদেশ দেওয়া হয়েছে এক মামলায়, যেখানে অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে অর্থ
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে জুলাই মাসে অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার দিন ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িতে ফের দুটি বুলডোজার নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সোমবার (১৭ নভেম্বর)
ঢাকার আদালত আজ রোববার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় মডেল ও অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীকে পারিবারিক ব্যবসায়ের পার্টনার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ এবং হুমকি-ধমকি দিতে করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায়
চলচ্চিত্র জগতে কাস্টিং কাউচ নতুন কিছু নয়। অর্ধেক শতাব্দী ধরে পর্দার আড়ালে এই ধরনের অনৈতিক আচরণের ঘটনা চলছেই আসছে। বিশেষ করে উঠতি অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি লক্ষ্য করা যায়।
৭৪তম মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতার এই আসরে বাংলাদেশের প্রতিনিধি অভিনেত্রী তানজিয়া জামান মিথিলা তার অসাধারণ পারফর্মেন্সের জন্য সবার নজর কেড়েছেন। তিনি বর্তমানে এই অ্যাওয়ার্ডের শীর্ষে রয়েছেন, এবং তার প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা
ঢাকার একটি আদালত মডেল ও অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মামলার শুনানির সময় তাদের আদালতে হাজির না হওয়ায় জারি
অভিনেত্রী ও পরিচালক ভদ্রা বসু, যিনি কলকাতার মঞ্চ থেকে শুরু করে বলিউড-সহ ভারতের বিভিন্ন সিনেমায় অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে অভিনয় করেছেন, তার জীবনাবসান ঘটেছে। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) রাতে তিনি কলকাতার একটি
জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে ঢাকার একটি আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এই মামলা মূলত অর্থ আত্মসাৎ, প্রাণনাশের হুমকি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে দায়ের হয়েছে।
পারিবারিক ব্যবসার অংশীদার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় আলোচনা ছিল বেশ চাঞ্চল্যকর। দিনটি ছিল রোববার, ১৬ নভেম্বর, যখন ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩-তে