চলমান বিশ্বকাপের কিছু ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্তকে ঘিরে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা দেখা দিয়েছে। তার মধ্যে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনার সঙ্গে মিশরের ম্যাচটি সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয়েছে। মিশর আগের দিকে ৭৮ মিনিট পর্যন্ত ২-০
৪৮ দলীয় বিশ্বকাপে এখন কেবল আটটি দল বাকি। শেষ চারে ওঠার লড়াইয়ের জন্য এই আট দল কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হবে। কোয়ার্টার লাইন‑আপে ইউরোপের আধিপত্য স্পষ্ট — আট দলের মধ্যে ছয়টি
একটি সিদ্ধান্তই বদলে দিল ম্যাচের ভঙ্গিমা। মিশরের জালে আসা দ্বিতীয় গোলে মুহূর্তের উল্লাস ভengera দিল ভিএআর। কয়েক সেকেন্ড আগের একটি ফাউল দেখতে পেয়ে হলো সেই গোল বাতিল — এবং ঠিক
ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেসে নাটকীয় এক লড়াই শেষে টাইব্রেকারে কলম্বিয়াকে ৪–৩ হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ আটে উঠেছে সুইজারল্যান্ড। নিয়মিত ৯০ মিনিট ও অতিরিক্ত সময় জুড়ে গোলহীন ড্র থাকায় জয় নির্ধারিত হয় পেনাল্টি
ফুটবল ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে অনেক সময় লাগে না—একটি সিদ্ধান্তই সেটি করতে পারে। এ ম্যাচেও ঠিক তেমনই ঘটল: যখন মিশর ২-০ এগিয়ে যাওয়ার আনন্দে মুহূর্ত পরেই মেতে উঠেছিল, তখনই নীরব
ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেসে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার পর টাইব্রেকারেই কলম্বিয়াকে কাঁদিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করলো সুইজারল্যান্ড। নিয়মিত সময় ও অতিরিক্ত সময় মিলিয়ে গোলশূন্য ড্র হয়ে যাওয়া ম্যাচে পেনাল্টি শুট‑আউটে ৪–৩ ব্যবধানে
আটলান্টায় শেষ-১৬ থেকে বিদায় নিয়েছে মিসর। ২–০ গোলে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ৩–২ হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে আফ্রিকান দলটির। পড়ন্ত সময়ে ম্যাচটা বদলে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে ম্যাচের রেফারিংকে মূলত দায়ী করেছেন
কানাডার ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেসে অতিরিক্ত সময়ের পর টাইব্রেকারে কলম্বিয়াকে ৪–৩ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে সুইজারল্যান্ড। ৯০ মিনিট ও অতিরিক্ত সময় মিলিয়ে গোলে নির্ধারণ না হওয়ার পর শাস্তি এক
বিশ্বকাপের শেষ-১৬ খেলায় মিসরকে ৩-২ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে এল আর্জেন্টিনা। ম্যাচে এক পর্যায়ে ২-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও শেষ ১১ মিনিটে তিনটি গোল করে তারা অসামান্য প্রত্যাবর্তন দেখাল —
সবকিছু যেন শেষ হয়ে গিয়েছিল—স্কোর ২–০, সময় এগিয়েছে ৬৭ মিনিটে। প্রথমার্ধে লিওনেল মেসির পেনাল্টি মিস, আর মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর ছিলেন অবরোধের প্রতীক। সেই মুহূর্তে আর্জেন্টিনার বিদায় নির্ধারিত মনে হচ্ছিল।