ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বিহার রাজ্যে কংগ্রেস কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা এই হামলার জন্য দায়ী। সূত্র বলছে, মূলত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে মিয়ানমারের নিপীড়িত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সদস্যদের সমুদ্রে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ৪০ জন রোহিঙ্গা শরণার্থী এই বিষয়ে অভিযোগ করেছেন, তাদের দাবি, দিল্লি থেকে আটক করে দ্রুত নৌবাহিনীর জাহাজে
থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতোংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে দেশের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছি আদালত। সম্প্রতি একটি ফোনকলের রেকর্ড ফাঁস হওয়ার পর তা জনসম্মুখে আসে, যেখানে তিনি কম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হুন সেনকে ‘আঙ্কেল’ বলে
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী সরকারের প্রধানমন্ত্রী আহমেদ আল-রাহাউই এক ডাকা এলোপাতাড়ি বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন। এই ভয়াবহ হামলা ঘটেছে গতকাল বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট), যখন ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান দেশটির রাজধানী সানা densely ধ্বংসের
গাজা উপত্যকার বড় শহর গাজা সিটিকে দখলদার ইসরায়েল যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করেছে। শুক্রবার ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তারা সেখানে এই মুহূর্তে প্রাথমিক হামলা চালাতে শুরু করেছে। সাথে সাথে তারা জানিয়ে
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বিহার রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় কংগ্রেস কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার পেছনে বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মূল কারণ হিসেবে জানা
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে মিয়ানমারের নিপীড়িত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সদস্যদের সমুদ্রে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারতের বিরুদ্ধে। এই প্রতিবেদনে জানা গেছে, কমপক্ষে ৪০ জন রোহিঙ্গা শরণার্থী তাদের নিজস্ব অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন, যেখানে
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের সরকারের প্রধানমন্ত্রী আহমেদ আল-রাহাউই ইসরায়েলি হামলায় মৃত্যুবরণ করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট), ইয়েমেনের রাজধানী সানায় ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান একটি হামলা চালায়। এই হামলায় দখলদার বাহিনী সানার একটি অ্যাপার্টমেন্টে
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বিহার রাজ্যে কংগ্রেস কার্যালয়ে সম্প্রতি হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে, এই হামলার জন্য দায়ী মূলত বিজেপি কর্মী ও সমর্থকেরা। ঘটনাপ্রবাহের সূত্রপাত হয় যখন প্রধানমন্ত্র নরেন্দ্র
থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতোংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে দণ্ডবিধির অবৈধ ফোনালাপের রেকর্ড ফাঁস হওয়ার পর দেশটির সাংবিধানিক আদালত তাকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে। এই ফোনকলটি নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়, যেখানে তাকে কম্বোডিয়ার