নেপালে সাম্প্রতিক জেন জি আন্দোলনে নিহতদের পরিবার ঘোষণা করেছে, তারা তাদের প্রিয়জনদের মরদেহ গ্রহণ করবে না যতক্ষণ না শহীদ স্বীকৃতি ও দেশের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং অন্যান্য দাবিগুলো পূরণ হয়। এই
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা অঞ্চলে ইসরায়েলি বাহিনীর প্রতিশ্রুতিবদ্ধ অভিযানে নতুন করে অন্তত ৫৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এই হিংস্র হামলায় গাজা শহরের বেশ কয়েকটি টাওয়ার ধ্বংসের পাশাপাশি, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও মানুষের
অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোকে আদালত ২৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। এই রায়ের মধ্যে তিনি সহ সাবেক মন্ত্রী ও সামরিক প্রধানসহ আরও সাতজন ব্যক্তিও দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। ব্রাজিলের
ফিলিস্তিনসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায়ের মাঝে ঐক্যের ডাক দিয়েছে কাতার। এই আহ্বানে সম্পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে পাকিস্তান, যা অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। পাশাপাশি,
আগ্রাসী ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যাকা। ইসরায়েলি সাবেক সেনাপ্রধান হের্জি হালেভি স্বীকার করেছেন, গাজার মোট জনসংখ্যার প্রায় ১০ শতাংশ—প্রায় দুই লাখের বেশি মানুষ এই হামলার ফলে
নেপালের রাজনৈতিক প্রবাহিত ঘটনায় বড় পরিবর্তন ঘটেছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর, নতুন অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান সুশীলা কার্কির সুপারিশে প্রেসিডেন্ট সংসদ ভেঙে দিয়েছেন। আগামী বছরের মার্চ মাসের মধ্যে নতুন নির্বাচন
নেপালের সঙ্গে তুলনা এনে পশ্চিমবঙ্গে গণঅভ্যুত্থানের আহ্বান জানিয়েছেন বিজেপির সাবেক সংসদ সদস্য অর্জুন সিং। এই খবরটি শুক্রবার ভারতের দৈনিক দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে নেপালে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা
যুক্তরাষ্ট্রে ডানপন্থি রাজনীতির একজন স্বনামধন্য নেতা এবং ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত চার্লি কার্ককে এক যুবক প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেছে। এটি ঘটেছে বুধবার উটা ভ্যালি ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে, যখন তিনি
ইয়েমেনের রাজধানী সানা ও আল-জাওফ প্রদেশে চালানো ইসরায়েলি বিমানহামলায় অন্তত ৩৫ জন নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৩১ জন। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
নেপালে সহিংস বিক্ষোভের কারণে সরকারের পতনের পর তরুণ প্রজন্মের একটি বিশাল অংশ বিশ্লেষণ করছে দেশের ভবিষ্যৎ ও মুক্তির পথ। জেনারেশন জি নামে পরিচিত এই তরুণেরা সরাসরি নতুন সংবিধান প্রণয়ন, নির্বাহী