চলতি ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। এর ফলস্বরূপ ব্যাংকগুলোতে ডলারের অতিরিক্ত প্রকৃতি সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে, বৈদেশিক মুদ্রার যোগান ও চাহিদার ঠিক স্থান যেখানে
অক্টোবর মাসে মূলত মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও, নভেম্বর মাসে তা পুনরায় বাড়ে এবং মোট ৮.২৯ শতাংশে এসে পৌঁছেছে। এর আগে অক্টোবর মাসে এই হার ছিল ৮.১৭ শতাংশ, আর গত বছরের নভেম্বরের
দেশের ব্যাংকখাতে কোটিপতি গ্রাহকদের সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। চলতি বছরের মার্চ মাসের শেষের তুলনায় জুনে এই সংখ্যা বেড়েছিল ৫ হাজার ৯৭৪টি। এরপর জুন থেকে সেপ্টেম্বর—এই তিন মাসে আরও ৭৩৪টি নতুন কোটিপতি
দেশের বাজারে আবারও বেড়ে গেছে সোনার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন দাম নির্ধারণ করে জানিয়েছে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য এখন দুই লাখ ১৫ হাজার ৫৯৭ টাকা, যা
চলতি ডিসেম্বরে প্রবাসী আয়ের (রেমিটেন্স) উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি ঘটছে। এই শ্রমের ফলস্বরূপ ব্যাংকগুলোতে ডলারের উদ্বৃত্তের সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য, বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে এবং
বিদেশে পাচার করা অর্থের উদ্ধার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন স্থায়ী ও অস্থায়ী সম্পত্তি সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে মোট ৬৬ হাজার ১৪৬ কোটি টাকার। এর মধ্যে দেশে ৫৫ হাজার
অক্টোবর মাসে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও নভেম্বরে আবার বৃদ্ধি পেয়ে এই হার দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। এর আগে অক্টোবর মাসে এই হার ছিল ৮ দশমিক ১৭ শতাংশ, এবং গত বছরের
বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে কোটিপতি গ্রাহকদের সংখ্যায় ধারাবাহিক বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। চলতি বছরের মার্চের তুলনায় জুনে এই সংখ্যা বেড়েছিল ৫,৭৯৪টি। এরপর জুন থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে এই তিন মাসে আরও ৭৩৪টি কোটিপতি
বাংলাদেশের বাজারে আবারও বৃদ্ধি পেলো সোনার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আজ শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানিয়েছে, ভরি অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ৩ হাজার ৪৫৩
বিদেশে পাচার করা অর্থ উদ্ধার ও প্রভাবিত সম্পদগুলোর বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে। দেশের মধ্যে ও বিদেশে মোট ৬৬ হাজার ১৪৬ কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ