অর্থ মন্ত্রণালয় নতুন করে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর পরিকল্পনা করেছে, যা আগামী ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হতে পারে। এই সিদ্ধান্তের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ এক প্রস্তাব পাঠিয়েছে, যা যদি
বাংলাদেশের ব্যাংকখাতে কোটিপতি হিসাবের সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি বছরের মার্চের তুলনায় জুনে এই সংখ্যায় দেখা গেছে অন্তত ৫ হাজার ৯৭৪টি বৃদ্ধি। এরপর অর্থাৎ জুন থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে আরও ৭৩৪টি
দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে সোনার দাম, যা মোটেই ছোট পরিবর্তন নয়। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) ঘোষণা অনুযায়ী, ভরিতে ৩ হাজার ৪৫৩ টাকা মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। তাতে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার
দেশের বাজারে টানা তৃতীয় দফায় সোনার দামের উর্ধ্বগতি চলল। ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা বৃদ্ধির মাধ্যমে ২২ ক্যারেটের সোনার নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ১১৭ টাকা,
বিদেশে পাচারকৃত অর্থের বিশাল এক অংশ উদ্ধার করতে দেশের আদালত ও আইনগত ব্যবস্থা জোরদার করেছে। দেশের বিভিন্ন স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তিসহ বিদেশে ১০ হাজার ৫০৮ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও
চলতি ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশের প্রবাসীদের কাছ থেকে বৈদেশিক আয় (রেমিট্যান্স) উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলस्वরূপ ব্যাংকগুলোতে ডলার উদ্বৃত্তের অবস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং দেশের মুদ্রা বাজারে
অক্টোবর মাসে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও নভেম্বরে আবার তা বৃদ্ধি পেয়ে অবস্থান করল ৮.২৯ শতাংশে। এর আগে অক্টোবরে এই হার ছিল ৮.১৭ শতাংশ এবং গত বছরের নভেম্বরের তুলনায় এটি কম ছিল
দেশের ব্যাংকখাতে কোটিপতি গ্রাহকের সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি বছরের মার্চের তুলনায় জুনে এই সংখ্যায় ৫ হাজার ৯৭৪টি নতুন হিসাব যোগ হয়। এরপর জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন মাসে আরও
দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বেড়েছে, যা শোনার জন্য উৎসুক বিনিয়োগকারীদের জন্য সুখবর। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আজ শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাত্রে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ভরিতে ৩ হাজার ৪৫৩ টাকা
বিদেশে পাচার করা অর্থ ও সম্পদ স্বরাষ্ট্র, অর্থোপার্জন ও তা নিষ্কাশনের জন্য দেশের বিভিন্ন সম্পদ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে। এই বহুমুখী প্রতিরোধ কার্যক্রমে গত বুধবার দেশে