বাংলাদেশে একদিনের ব্যবধানে আবারও স্বর্ণের দাম বড় ধরনের বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এ ঘোষণা দিয়েছে যে, দেশের বাজারে প্রতি ভরির সোনার মূল্য সর্বোচ্চ দুই হাজার ৯১৬ টাকা পর্যন্ত
দেশের বাজারে দীর্ঘ আট দফা মূল্যবৃদ্ধির পর বাংলাদেশ সরকার সোনার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এখন থেকে ভরিতে ২ হাজার ৫০৮ টাকা কমিয়ে
বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায়, সদ্য সমাপ্ত ডিসেম্বর মাসে দেশের বৈধ পথে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বৈদেশিক মুদ্রা পাঠিয়েছেন ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। দেশের হিসেবে এর পরিমাণ
জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত বিভিন্ন সঞ্চয় পরিকল্পনার মুনাফার হার আবারও কমিয়ে আনছে সরকার। নতুন এই হার অনুযায়ী, সঞ্চয়পত্রে সর্বোচ্চ মুনাফার হার হবে ১০.৫৯ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন মুনাফার হার হবে
নতুন বছরের শুরুর দিন দেশের বাজারে আবারো সোনার দাম কমেছে। বিশেষ করে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ২২ ক্যারেটের সোনার প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম কমেছে ১ হাজার ৪৫৮ টাকা, যার ফলে
সরকার সম্প্রতি সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে আগের হারগুলোকে পুনরুদ্ধার করেছে। এতে রোববার একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ। এর মাধ্যমে জানানো হয়, ২০২৫ সালের
চলতি বছর বাংলাদেশে প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) ধারা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রবাসী আয় বৃদ্ধির ফলে ব্যাংকগুলোতে বেশ কিছু পরিমাণ ডলার জমা হয়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক ধারাবাহিকভাবে বৈদেশিক মুদ্রার
বিশ্ব বাজারের প্রভাব এবং দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে সোনার দামে বড় পরিবর্তন এসেছে। দেশের জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) বলেছে, টানা আট দফা মূল্য বৃদ্ধির পরে এবার তারা সোনার দাম কমানোর
জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর পরিচালিত বিভিন্ন সঞ্চয় পরিকল্পনার মুনাফার হার আবারও কমিয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সঞ্চয়পত্রের সর্বোচ্চ মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন হার রাখা
দিন দিন দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে। এর ধারাবাহিকতায়, সদ্য সমাপ্ত ডিসেম্বর মাসে বৈধ পথে প্রবাসী বাংলাদেশিরা মোট ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন। এই অঙ্কে দেশের মুদ্রায় পরিণত করলে হয়