1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কাকে আটক রাশেদ খাঁন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদায়) হিসেবে যোগদান বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদায়) হিসেবে যোগদান সাইবার বুলিংকে কঠোরভাবে দমন করবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা বাজার থেকে ৪ প্রতিষ্ঠানের ৮ প্রকার পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বিএসটিআই শহীদ জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার পলাতক মোজাফফরকে সেনা আইনে বিচার করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিয়মের অভিযোগে ৪৯ রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল মোজাফফর হোসেনকে সেনা আইনে বিচার করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা আদালতের নির্দেশে দুদক গুলশানের সাবেক ভূমিমন্ত্রীর দুই ফ্ল্যাট নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে

প্রথম ১৮ দিনে প্রায় ১৮০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স, ২০.২% বৃদ্ধি

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম ১৮ দিনে প্রবাসীরা বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে প্রায় ১৮০ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১ থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত মোট ১৭৯ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে এই অঙ্ক ছিল ১৪৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার। ফলে এক বছরের ব্যবধানে প্রবাসী আয়ে বৃদ্ধি হয়েছে ৩০ কোটি ২০ লাখ ডলার, যা শতাংশে ওই বৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ২০.২।

তথ্যে আরও বলা হয়েছে, চলতি মাসের ১৬ থেকে ১৮ জুলাই—এই তিন দিনেই এসেছে ১৬ কোটি ১০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। মাসের প্রথম পাঁচ দিনেই আসে ৫৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ধারাবাহিকভাবে প্রবাহ বজায় থাকায় ১৮ দিনের মাথায় রেমিট্যান্সের পরিমাণ প্রায় ১৮০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক এই প্রবৃদ্ধিকে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের জন্য ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা বেড়ে যাওয়া, সরকারের দেওয়া প্রণোদনা এবং প্রবাসীদের মধ্যে আনুষ্ঠানিক পথে অর্থ পাঠানোর আগ্রহ বাড়ায় রেমিট্যান্সের এই ইতিবাচক ধারা বজায় রেখেছে।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, এ ধরনের প্রবাহ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করবে, আমদানি ব্যয় নির্বাহে সাহায্য করবে এবং বৈদেশিক লেনদেনের সামগ্রিক ভারসাম্য রক্ষায় ভূমিকা রাখবে। যদি এই প্রবণতা অব্যাহত থাকে, তবে তা অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য সহায়ক হবে বলে তারা ধারণা করেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo