1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পিছিয়েছে আপিল বিভাগে পর্যাপ্ত বিচারপতি নিয়োগের দাবি জানিয়ে রাষ্ট্রপতিকে শিশির মনিরের চিঠি ইসি: স্থানীয় নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও দ্বৈত নাগরিকদের প্রার্থীতা অযোগ্য করার সুপারিশ বিবাহের পাঁচ দিন পরও বায়োডাটায় ‘অবিবাহিত’—গাজী নজরুল-মরিয়মকে ঘিরে নতুন প্রশ্ন মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কাকে আটক রাশেদ খাঁন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদায়) হিসেবে যোগদান বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদায়) হিসেবে যোগদান সাইবার বুলিংকে কঠোরভাবে দমন করবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা

থ্রি ইডিয়টসের র‌্যাঞ্চো সোনম ওয়াংচুক নন: আমির খান

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

ভারতের বিখ্যাত চলচ্চিত্র থ্রি ইডিয়টস (২০০৯) মুক্তির পর থেকে অনেকেই র‌্যাঞ্চো বা ফুংসুখ ওয়াংরুর চরিত্রটিকে প্রকৌশলী ও শিক্ষা সংস্কারক সোনম ওয়াংচুকের জীবনী থেকে অনুপ্রাণিত বলে মন্তব্য করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে ঘনঘন শুনে আসা এই ধারণা নাকচ করেছেন অভিনেতা ও প্রযোজক আমির খান।

বর্তমানে সোনম ওয়াংচুক পরীক্ষা ফাঁসের তদন্ত ও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে আমরণ অনশন পালন করছেন। এমন সময়ে লন্ডনের ১৭তম লন্ডন-ইন্ডিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের সমাপনী অনুষ্ঠানে আমির খান বলেন, সিনেমা তৈরির সময় তাঁর বা চিত্রনাট্যকারদের কেউই ওয়াংচুককে চিনত না। মুক্তির পর পরে যখন এই সম্পর্কের কথা সামনে আসে, তখনই বিষয়টি আলোচনায় আসে এবং ওয়াংচুক নিজে বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন, যোগ করেন তিনি।

এর আগে চলচ্চিত্রটির অভিনেতা ওমি বৈদ্য (চতুরের চরিত্রে) সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করে র‌্যাঞ্চো চরিত্রটি ওয়াংচুকের জীবনকাহিনী থেকে অনুপ্রাণিত বলে জানানোয় আমির সেই দাবিটা ভুল বলেছেন। আমির বলেন, চতুরের যে দাবিটা করেছেন সেটি সঠিক নয়।

বহু বছর আগে—সিনেমা মুক্তির আগেই—ওয়াংচুক নিজে প্রকাশ্যে জানিয়েছেন যে তাঁকে নির্মাতারা বা সিনেমা সংশ্লিষ্ট কেউ যোগাযোগ করে অনুমতি নেয়নি। ২০০৮ সালে এক অনুষ্ঠানে আমিরের সঙ্গে তাঁর প্রথম সরাসরি আলাপ হয়েছিল। সেই সাক্ষাতে ওয়াংচুক আমিরকে সিয়াচেন সীমান্তের বৈপ্লবিক ব্যয় ও শিক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন এবং প্রশ্ন তোলেন যে এত অর্থ বরফের টুকরোর জন্য ব্যয় করা হয়—তা কি শিক্ষা খাতে ব্যবহার করা যায় না?

ওয়াংচুক বলেছিলেন, সেই আলোচনায় আমির আগ্রহ দেখিয়েছিলেন। কিন্তু কিছুদিন পরই তিনি ফ্রান্সে চলে যান এবং পরের বছর থ্রি ইডিয়টস মুক্তি পায়। মুক্তির পর অনেকেই র‌্যাঞ্চো ও ওয়াংচুকের মধ্যে মিল খুঁজে পান; কিন্তু ওয়াংচুক তখন সরাসরি আপত্তি তোলেননি—কারণ তিনি ভাবতেন, মানুষ হয়তো মনে করবে তিনি নির্মাতাদের কাছ থেকে অর্থ দাবি করছেন।

ওয়াংচুক আরও জানিয়েছেন যে কাহিনীর স্বত্ব সংক্রান্ত আইনি মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত তিনি অপেক্ষা করেছেন। পরে নির্মাতাদের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়ে জানান যে সিনেমার নির্মাণের আগেই আমিরের সঙ্গে তাঁর আলাপ হয়েছিল, কিন্তু তারা তা নিয়ে উত্তর দেয়নি। তিনি তৎক্ষণিকভাবে কোনো বিশেষ প্রতিক্রিয়ার প্রত্যাশাও করেননি।

এভাবেই র‌্যাঞ্চো চরিত্রের অনুপ্রেরণা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা জল্পনা-পাল্টা জল্পনা চলেছে। লন্ডনে আমিরের স্পষ্ট অবস্থান—চলচ্চিত্র তৈরির সময় তাঁরা ওয়াংচুককে চিনতেন না—এ নিয়ে বিতর্কটি অতিরঞ্জিত হয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo