1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

বৃষ্টি হলেই খুলনার কয়েকটি এলাকা পানিবদ্ধ, কেসিসি উদ্বিগ্ন

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

খুলনা মহানগরীতে বৃষ্টির পানি নিস্কাশনে বাধা চিহ্নিতকরণ ও অপসারণের জন্য জরুরি সভা আজ শনিবার (১১ জুলাই) সকালে নগর ভবনের জিআইজেড মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সভাটি কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভার শুরুতে কেসিসি নগরবাসীর কাছে সাম্প্রতিক জলাবদ্ধতায় হওয়া দুর্ভোগের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে।

গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের ভারী বৃষ্টিতে খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন অংশে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। বিশেষত নগরীর ছয়টি এলাকায় পানি জমে জনজীবন বিপর্যস্ত হওয়ায় এসব স্থানে কী করণীয় তা দ্রুত নির্ধারণের জন্য আজকের জরুরি সভা আহ্বান করা হয়।

সভায় প্রশাসক বলেন, ‘‘বৃষ্টি হলে নগরের কয়েকটি জায়গা নিয়মিত নিমজ্জিত হচ্ছে, যা কেসিসির জন্য বিব্রতকর। তাই নতুন ও ত্বরিত ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন।’’ তিনি সরেজমিন পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, কিছু এলাকায় পানি দ্রুত নেমে গেলেও মুজগুন্নী এলাকায় পানি নিষ্কাশন হচ্ছে না। ভবিষ্যতে যাতে এমন অবস্থা না হয় সে লক্ষ্যে তিনি বিশেষজ্ঞ ও সাধারণ নাগরিকদের মতামত গ্রহণের পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের আরও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।

প্রয়োজনে দ্রুত বাস্তব কর্মসূচি গ্রহণের উদ্যোগে কেসিসি নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মো: মাসুদ করিমের নেতৃত্বে একটি কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি মুজগুন্নী, লবনচরা ও রয়্যাল মোড় নিয়ে তিনটি উপকমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ওয়ার্ড পর্যায়ে মনিটরিং কমিটি গঠন করে তারা প্রতিবন্ধকতাসমূহ চিহ্নিত করে মূল কমিটিকে রিপোর্ট দেবে। প্রাপ্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে পূর্ত বিভাগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

সভায় কয়েকটি নির্দেশনা জারি করা হয়—সময়মতো সুইচগেট খোলা ও বন্ধ রাখা, ড্রেনেজ নেটওয়ার্কে থাকা প্রতিবন্ধকতাগুলো চিহ্নিত করে অপসারণ করা, বক্স কালভার্ট জেট মেশিন দিয়ে পরিষ্কার রাখা এবং এক্সেভেটর ও ট্রাকসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি প্রস্তুত রাখা।

কেসিসি জানিয়েছে ‘‘জলাবদ্ধতা দূরীকরণে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন’’ শীর্ষক প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হলে নগরীর মোট ড্রেনেজ নেটওয়ার্কের প্রায় ২৫ শতাংশ উন্নয়ন হবে। ভবিষ্যত পরিকল্পনায় তিনটি পাম্প হাউজ নির্মাণ, ড্রেন পরিষ্কারের জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি ক্রয় এবং জোয়ারের পানি প্রবেশ বন্ধে বৈদ্যুতিক সুইচগেট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রশাসক চলমান ড্রেনেজ প্রকল্পের অগ্রগতি মূল্যায়ন করে প্রকল্প শেষ হলে কী সুবিধা মিলবে তা নির্ধারণের নির্দেশ দেন এবং ড্রেনেজ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে নতুন প্রকল্প গ্রহণের তাগিদ দেন। তিনি শহরবাসীর প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, খাল-বিল ও ড্রেনের ওপর থেকে অবৈধ দখলদারদের সরে যেতে হবে এবং ড্রেনে বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে হবে—এটাই দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা সমাধানের এক মুখ্য উপায়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, সচিব মো: রেজা রশীদ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বার, বাজেট ও একাউন্টস অফিসার মো: মনিরুজ্জামান, নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মো: মাসুদ করিম, আর্কিটেক্ট রেজবিনা খানম, কঞ্জারভেন্সি অফিসার মো: অহিদুজ্জামান খানসহ ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ।

সভায় স্থির করা সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে নগরবাসীর পানিবদ্ধতা দূরীকরণে গুরুত্বপুর্ণ অগ্রগতি হবে বলে কেসিসি সূত্রে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo