1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

ইডি জব্দ করল তৃণমূলের ৪৪০ কোটি ৪২ লাখ টাকার তিনটি ব্যাংক হিসাব

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬

এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনের আওতায় ভারতের তৃণমূল কংগ্রেসের তিনটি ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, ওই হিসাবগুলিতে মোট ৪৪০ কোটি ৪২ লাখ টাকা জমা ছিল।

ইডি এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, দলীয় তহবিল থেকে বড় পরিসরে সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেন করা হয়েছে এবং সেই লেনদেনের ভিত্তিতে অর্থ পাচার ও তহবিলের অপব্যবহারের সম্ভাব্য অভিযোগে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। রাজনৈতিক দলটির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

তদন্তের অংশ হিসেবে দিল্লির ন্যাশনাল ক্যাপিটাল রিজিয়নে (এনসিআর) পাঁচটি স্থানে অভিযান চালানো হয়েছে। ইডি জানিয়েছে, অভিযানের স্থানগুলো সম্পর্কে প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে যে সেগুলো এভিয়েশন (বিমান চলাচল) খাতে সক্রিয় ‘কেয়ারওয়েল গ্রুপ অব কোম্পানিজ’-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।

তদন্তকারীদের প্রাথমিক খতিয়ান অনুযায়ী, ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে তৃণমূলের হিসাব থেকে ‘কেয়ারওয়েল এভিয়েশন ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড’ ও এর সঙ্গে যুক্ত আরেকটি কোম্পানির কাছে প্রায় ১৬০ কোটি টাকা স্থানান্তর করা হয়েছে। এরপর কেয়ারওয়েল এভিয়েশন তাদের নতুন গঠিত একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রায় ৮২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা হস্তান্তর করেছে।

ইডি জানতে পেরেছে যে ওই অর্থের বড় অংশ ব্যবহার করে এমব্রায়ার লিগ্যাসি ৬০০ বিমান এবং অগাস্টা ১০৯ এসপি হেলিকপ্টার কেনা হয়েছে; সংস্থার হিসাব অনুযায়ী এ দু’টি যানবাহনে মোট প্রায় ১১২ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। ইডি উল্লেখ করেছে, অগাস্টা হেলিকপ্টার কেনার ক্ষেত্রে কিছু বিদেশি তহবিলও কাজে লাগানো হয়েছে, তবে এর সিংহভাগ অর্থ সরাসরি তৃণমূলের হিসাব থেকে এসেছে।

তদন্তকারী সংস্থাটি এখন ওই বিদেশি তহবিলের উৎস চিহ্নিত করতে এবং কোনো আইন লঙ্ঘন হয়েছে কিনা তা যাচাই করতে তল্লাশি চালাচ্ছে। তাদের বলার মতে, আকাশযান কেনার পর সেগুলো আবার তৃণমূলকে ভাড়া দেওয়া হয়েছে এবং ‘ব্যবহার’ বলে আবারও বিপুল পরিমাণ অনুদান বা অর্থ স্থানান্তর করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষরা মনে করেন, পুরো আর্থিক কাঠামোটি অস্বাভাবিকভাবে সাজানো ছিল—সম্ভবত প্রকৃত লেনদেন এবং সুবিধাভোগীদের আড়াল করার উদ্দেশ্যেই।

এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট এই মুহূর্তে অর্থের উৎস, তহবিলের ব্যবহার, বিদেশি অর্থায়ন এবং সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর মধ্যে হওয়া আন্তঃলেনদেনের বিস্তারিত তদন্ত করছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে আরও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo