1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

২০২৫–২৬ অর্থবছরে রেকর্ড ৩৫ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬

সদ্য সমাপ্ত ২০২৫–২৬ অর্থবছরে দেশে বৈধ চ্যানেলের মাধ্যমে রেকর্ড ৩৫ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স প্রবাহিত হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংক এই তথ্য জানিয়েছে।

ব্যাংকের প্রাক-বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, জুলাই থেকে জুন পর্যন্ত ১২ মাসে দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৩ হাজার ৫৫৬ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরে তা ছিল ৩ হাজার ৩২ কোটি ৯০ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরে প্রবাসী পাঠানো অর্থ বেড়েছে ৫২৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার, যা প্রায় ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধির সমতুল্য। দেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে এত বেশি রেমিট্যান্স আগে কখনো আসেনি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের কড়া অবস্থান, বৈধ চ্যানেলে নগদ প্রণোদনা, ব্যাংকিং সেবার সহজলভ্যতা এবং ডিজিটাল মাধ্যমে দ্রুত অর্থ পাঠানোর সুবিধা প্রবাসীদের বৈধ রুট ব্যবহার বাড়াতে উৎসাহিত করেছে। এ কারণগুলো মিলিয়ে চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্সে বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি ঘটেছে বলে তারা মনে করেন।

তবে অর্থবছরের শেষ মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ কিছুটা কমে এসেছে। প্রাথমিক হিসাব অনুসারে জুনে দেশে এসেছে ২৮০ কোটি ৬ লাখ মার্কিন ডলার, যা গত সাত মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম এবং আগের বছরের জুনের তুলনায়ও খানিকটা নীচে। এ সময়ের হিসাব তৈরির সময় ব্যাংক হলিডের কারণে ১১টি ব্যাংকের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা যায়নি; ফলে চূড়ান্ত পরিসংখ্যান প্রকাশের সময় এই সংখ্যা কিছুটা বাড়তে পারে। গত অর্থবছরের সর্বনিম্ন রেকর্ড ছিল গত বছরের অক্টোবর—তখন রেমিট্যান্স আসে ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসে ঈদকে কেন্দ্র করে প্রবাসীরা পরিবার-পরিজনকে অতিরিক্ত অর্থ পাঠান; এরপর ঈদ-পরবর্তী সময়ে সেই চাহিদা কমে যাওয়ায় জুনে স্বাভাবিকভাবে রেমিট্যান্সে হ্রাস দেখা গেছে।

মাসভিত্তিক রেমিট্যান্সের চিত্রে দেখা যায়: জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার, নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৭ লাখ ডলার, ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ৩৬ লাখ ডলার, জানুয়ারিতে ৩১৭ কোটি ১৬ লাখ ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ৩০২ কোটি ডলার, মার্চে ৩৭৫ কোটি ২২ লাখ ডলার, এপ্রিল ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার, মে ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ডলার এবং জুন ২৮০ কোটি ৬ লাখ ডলার।

রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ের ধারাবাহিক বৃদ্ধির ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অবস্থাও শক্তিশালী হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যমতো মোট (গ্রস) বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার; আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের BPM6 পদ্ধতিতে নিট ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ আছে ৩২ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলার।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo