1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
জুনে অস্বাভাবিকভাবে বাড়তি বিদ্যুৎ বিল: মন্ত্রণালয় তদন্তের নির্দেশ আতিউরসহ তিন সাবেক গভর্নরের নথি চায় দুদক পূর্বাচলে ৪ থানা, ৬ তদন্তকেন্দ্র ও ২ পুলিশ লাইনস স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্ত দেশের ৩৮ জেলায় আইসিইউ নেই, গ্রামীণরা চিকিৎসা বঞ্চিত: ডা. জুবাইদা রহমান ৪ বছরে পদ্মা সেতুতে টোল আদায় ৩ হাজার ৪২৯ কোটি টাকার বেশি সংসদে সাইবার নিরাপত্তা (সংশোধন) বিল পাস, এআই কনটেন্ট দ্রুত অপসারণ বাধ্যতামূলক সংসদে পাস ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’—১৮৬৭ সালের নিম্নগামী আইন বাতিল ৪ বছরে পদ্মা সেতু থেকে টোল আদায় সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা এজলাসে আঙুল উঁচিয়ে পুলিশকে শাসালেন ইনু: ‘এই হাত ধরবেন না, ভদ্রতা শিখুন’ বিএনপি সরকারের সিদ্ধান্তের প্রস্তাব: নতুন তিন উপজেলা ও এক থানা গঠন নিয়ে নিকার বৈঠক

আতিউরসহ তিন সাবেক গভর্নরের নথি চায় দুদক

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) রিজার্ভ চুরি, হলমার্ক কেলেঙ্কারি ও ব্যাংক খাতে অব্যবস্থাপনার অভিযোগের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে আবার নথিপত্র পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। অভিযোগের প্রধান লক্ষ্য তিনজন সাবেক গভর্নর—আতিউর রহমান, ফজলে কবির ও আব্দুর রউফ তালুকদার। দুদক ইতোমধ্যে বেশ কিছু প্রাসঙ্গিক নথি হাতে পেয়েছে।

বুধবার (১ জুলাই) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম জানান, রিজার্ভ চুরি, হলমার্ক কেলেঙ্কারি, এস আলম গ্রুপ সম্পর্কিত ঋণ জালিয়াতি এবং ব্যাংকিং খাতে বিভিন্ন অনিয়ম—এসব অভিযোগ তদন্তের অংশ হিসেবে প্রয়োজনীয় নথি চাওয়া হয়েছে।

তদন্তের জন্য উপ-পরিচালক মো. মোমিনুল ইসলাম, উপ-পরিচালক রণজিৎ কুমার কর্মকার ও উপ-সহকারী পরিচালক মো. ইয়াছিন মোল্লা—এই তিনজনের সমন্বয়ে একটি বিশেষ অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে জানা যায়।

দুদক বাংলাদেশ ব্যাংককে বিভিন্ন ধরনের নথি তলব করেছে। তাতে রয়েছে কয়েকটি ব্যাংকের মালিকানা অনুমোদনপত্র, সংশ্লিষ্ট নোটশিটের সত্যায়িত অনুলিপি এবং সাবেক গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারের সময় বিশেষ কোনো গ্রুপের মালিকানাধীন ব্যাংকদের নগদ সহায়তা দেওয়ার অনুমোদনসংক্রান্ত কাগজপত্র।

এছাড়া রিজার্ভ চুরির ঘটনাসহ প্রযুক্তি ও সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত তদন্তে তানভীর দোহার সম্পাদিত একটি বিশ্লেষণাত্মক প্রতিবেদনও কমিশনে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

দুদকের আগের অনুসন্ধানেও (গত ৫ আগস্ট) একাধিক প্রাথমিক তথ্য উঠে আসে—একক গ্রাহকের ঋণসীমা লঙ্ঘন করে অতিরিক্ত অর্থ ছাড়, এস আলমের নিয়ন্ত্রণাধীন কয়েকটি ব্যাংককে ‘‘টাকা ছাপিয়ে’’ নগদ সহায়তা প্রদানের অভিযোগ এবং বিশেষ আর্থিক প্রণোদনার নামে বেআইনি ঋণ সুবিধা প্রদানের মতো বিষয়গুলোতে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়।

এবার দুদক ২০১০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতি, ঋণ সংক্রান্ত ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক নথি অনুরোধ করেছে, যাতে দীর্ঘ সময়ের তদন্তটি সুষ্ঠু ও ব্যাপকভাবে সম্পন্ন করা যায়।

আগে রিজার্ভ চুরি ঠেকাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রযুক্তিগত দায়িত্বে থাকা দুই ভারতীয় নাগরিকের সংশ্লিষ্ট নথিপত্রও দুদক তলব করেছিল। তদন্ত চলাকালে এ ধরনের নথিপত্র সংগ্রহ করে অভিযোগ যাচাই করা হবে বলে কমিশন জানিয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo