1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
জুনে অস্বাভাবিকভাবে বাড়তি বিদ্যুৎ বিল: মন্ত্রণালয় তদন্তের নির্দেশ আতিউরসহ তিন সাবেক গভর্নরের নথি চায় দুদক পূর্বাচলে ৪ থানা, ৬ তদন্তকেন্দ্র ও ২ পুলিশ লাইনস স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্ত দেশের ৩৮ জেলায় আইসিইউ নেই, গ্রামীণরা চিকিৎসা বঞ্চিত: ডা. জুবাইদা রহমান ৪ বছরে পদ্মা সেতুতে টোল আদায় ৩ হাজার ৪২৯ কোটি টাকার বেশি সংসদে সাইবার নিরাপত্তা (সংশোধন) বিল পাস, এআই কনটেন্ট দ্রুত অপসারণ বাধ্যতামূলক সংসদে পাস ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’—১৮৬৭ সালের নিম্নগামী আইন বাতিল ৪ বছরে পদ্মা সেতু থেকে টোল আদায় সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা এজলাসে আঙুল উঁচিয়ে পুলিশকে শাসালেন ইনু: ‘এই হাত ধরবেন না, ভদ্রতা শিখুন’ বিএনপি সরকারের সিদ্ধান্তের প্রস্তাব: নতুন তিন উপজেলা ও এক থানা গঠন নিয়ে নিকার বৈঠক

নতুন মুদ্রানীতি: বেসরকারি ঋণের লক্ষ্য কমলো, নীতি সুদ অপরিবর্তিত

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রথমার্ধ (জুলাই–ডিসেম্বর) জন্য নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে। মুদ্রানীতি ঘোষণায় ব্যাংক বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য কমিয়েছে—ডিসেম্বর পর্যন্ত এ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়েছে ৬.৮ শতাংশ—তবে নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান নীতিটি ঘোষণা করেন এবং ডেপুটি গভর্নর ড. হাবিবুর রহমান বিস্তারিত তুলে ধরেন। এটি বর্তমান সরকারের অধীনে এবং ওই গভর্নরের প্রথম মুদ্রানীতি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রানীতি প্রণয়ন করে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও কাঙ্ক্ষিত জিডিপি প্রবৃদ্ধির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করার চেষ্টা করে। মুদ্রানীতি বছরে দুইবার — জানুয়ারি–জুন ও জুলাই–ডিসেম্বর পর্যায়ের জন্য — প্রকাশ করা হয়। এবারও কেন্দ্রীয় ব্যাংক একই উদ্দেশ্য নিয়ে নীতি ঘোষণা করেছে, যাতে অর্থনৈতিক কর্মক্রম ও বিনিয়োগ অতিরিক্ত প্রতিকূলতা না ভোগ করে।

গত ১১ জুন প্রস্তাবিত বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সরকারের লক্ষ্য হিসেবে নতুন অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশ ও জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬.৫ শতাংশ নির্ধারণের কথা বলেছিলেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকও সরকারের লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গড় মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামানোর লক্ষ্য রেখেছে, যদিও সাময়িকভাবে বর্তমান ইনফ্লেশন লক্ষ্যের চেয়ে প্রায় দুই শতাংশ বেশি।

শুধু-May মাসে পয়েন্ট টু পয়েন্ট মূল্যস্ফীতি ভারত stat — দেশের সাধারণ পয়েন্ট টু পয়েন্ট মূল্যস্ফীতি মে মাসে ছিল ৯.৪২ শতাংশ। এর মধ্যে খাদ্যমূল্যস্ফীতি ৯.০৬ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯.৭১ শতাংশ। এছাড়া বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৫–২৬ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি রেকর্ড করা হয়েছে ৪.১৪ শতাংশ।

নীতिगत সুদ হার নিয়ে পূর্বের অবস্থান সম্পর্কে বলা যেতে পারে যে, ২০২৪ সালের ২২ অক্টোবর কেন্দ্রীয় ব্যাংক রেপো রেট ৫০ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়ে ১০ শতাংশ নির্ধারণ করেছিল। রেপো হচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ব্যাংকগুলো স্বল্পমেয়াদি ঋণ নেওয়ার সুবিধা; এটি মৌদ্রিক শৃঙ্খলা ও লিকুইডিটি ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।

চলতি অর্থবছরের মুদ্রানীতিতে আন্তঃব্যাংক লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি (এসএলএফ) ছিল ১১.৫০ শতাংশ এবং স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি (এসডিএফ) ৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৭.৫ শতাংশ করা হয়েছিল। নতুন মুদ্রানীতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে এসডিএফ ভবিষ্যতেও অপরিবর্তিত থাকবে।

এক নজরে ঋণ লক্ষ্য নিয়ে পরিস্থিতি: চলতি অর্থবছরে বেসরকারি খাতে ঋণের লক্ষ্য প্রথমে বেশি ধরা হয়েছিল (২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ৮ শতাংশ লক্ষ্য ছিল), কিন্তু বাস্তবে মে মাসে বেসরকারি সেক্টরে ব্যাংক ঋণের প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে ৫ শতাংশে। তাই আগামী জুলাই–ডিসেম্বর মেয়াদের জন্য লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে ৬.৮ শতাংশ ধরা হয়েছে—অর্থাৎ বর্তমান প্রবৃদ্ধির তুলনায় বাড়ানো হলেও পূর্বের লক্ষ্য থেকে কম। অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ মোট ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য রাখা হয়েছে ১০.৫ শতাংশ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, মূল্যস্ফীতি রুখে রেখে অর্থনীতির গতিশীলতা বজায় রাখা এখন গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। তারা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে প্রয়োজন অনুযায়ী নীতিগত পদক্ষেপ নেবে এবং বাজারে লিকুইডিটি ও ঋণ প্রবাহ সুশৃঙ্খল রাখার উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo