জাপানের বিরুদ্ধে নাটকীয় কামব্যাকের রাতে ২-১ গোলে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করলেও ব্রাজিল আনন্দ ঠিকঠাক উপভোগ করতে পারেনি—সেই রাতে লুকাস পাকেতা চোটে পড়েন। খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে মাঠ ছাড়তে দেখা যায় তাকে, আর পরবর্তী পরীক্ষায় জানানো হয়েছে তার বাম পায়ের উরুর পেছনের মাংসপেশিতে চোট ধরেছে।
ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশন জানায়, মঙ্গলবার করা পরীক্ষায় পাকেতার বাম উরুর পেছনের মাংসপেশীতে চোট পাওয়া নিশ্চিত হয়েছে। তারা বলেছে যে পাকেতা চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে থাকবে এবং দ্রুত সুস্থ করে মাঠে ফেরাতে কাজ করা হবে। তবে চোটের তীব্রতা ও পুনরুদ্ধানের সময় সম্পর্কে ফেডারেশন বিস্তারিত তথ্য দেয়নি।
দেশীয় সংবাদমাধ্যম এবং গ্লোবোতে প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, ফ্ল্যামেঙ্গো মিডফিল্ডারটি প্রায় তিন সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে পারে। যদি এমন হয়, তাহলে রোববার অনুষ্ঠিতব্য শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ের বিপক্ষে তাকে পাওয়া unlikely—এমনটাই সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। সম্ভাব্য ফেরাটাও পুরোপুরি নির্ভর করছে পাকেতার দ্রুত আরোগ্যের উপরে; ব্রাজিল যদি ফাইনালে উঠে যায়, ১৯ জুলাইয়ের ফাইনালে তাকে পাওয়া যেতে পারে, কিন্তু সেটাও নিশ্চিত নয়।
চোট সত্ত্বেও ব্রাজিল পাকেতাকে স্কোয়াড থেকে বাদ দেবে না—এমনটাই জানিয়েছে ফেডারেশন এবং গ্লোবোরর রিপোর্ট। দলের পরিকল্পনা, সহকর্মীদের মনোবল এবং মাঠে বিকল্প নীতির ওপর এখন এই চোটের প্রভাব পড়বে।
এমন পরিস্থিতি নতুন কিছু নয়—পাকেতার আগে রাফিনিয়া চোটের কারণে বাইরে আছেন। এর আগেও রদ্রিগো, এস্তেভাও ও মিলিতাওয়ের মতো কিছু বড় নাম চোটের কারণে বিশ্বকাপ দলে যোগ করতে পারেননি। চোটে আটকা পড়ে দলকে প্রতিটি ম্যাচে নতুন সমাধান খুঁজে বাধ্য হচ্ছে সেলেসাওরা।
একদিকে উদযাপন, অন্যদিকে উদ্বেগ—এভাবেই ব্রাজিল এখন অপেক্ষা করছে পাকেতার আরোগ্যের দিকে, আর কোচিং স্টাফ ও চিকিৎসকরা দ্রুত ও সতর্কতা নিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।