1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

কাশ্মীরের কিশতওয়ারে থানায় ঢুকে ভারতীয় সেনাবাহিনীর হামলা: ৪০জনের বিরুদ্ধে মামলা

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬

জম্মু ও কাশ্মীরের কিশতওয়ার জেলায় পুলিশের ওপর হামলা ও থানায় ভাঙচুরের অভিযোগে এক কর্নেল ও এক মেজরসহ মোট প্রায় ৪০ জন ভারতীয় সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ খবরটি এনডিটিভি প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে।

আথোলি থানায় দায়ের করা এফআইআরে বলা হয়েছে, ১৭তম রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের কমান্ডিং অফিসার কর্নেল এন. অরুণ গান্ধী, মেজর বিকাশ শর্মাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। আরও নায়েব সুবেদার শঙ্কর গুরখে ও নাম প্রকাশ না করা প্রায় ৩০–৪০ জন সেনা সদস্যকেও একই মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

পুলিশি অভিযোগ অনুযায়ী, ওই সেনা সদস্যরা থানা চত্বরে জোরপূর্বক প্রবেশ করে পুলিশের ওপর আক্রমণ চালায়। এ ঘটনায় আথোলির ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ (ডিএসপি) বিজয় কুমার ভগত এবং আথোলি থানার স্টেশন হাউস অফিসার (এসএইচও) অমৃত কাটোচসহ বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার উপর হামলা চালানো হয়েছে।

এফআইআরে বলা হয়েছে, এসএইচও যখন এলাকায় পাড্ডারের ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসে অনুষ্ঠিত একটি সরকারি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছিলেন—যেখানে জেলা কমিশনার সভাপতিত্ব করেন—তখন থানায় সহিংসতার খবর পেয়ে তিনি দ্রুত থানায় ফিরে আসেন। অভিযোগ, তিনি থানার প্রাঙ্গণে প্রবেশ করলে মেজর বিকাশ শর্মার নেতৃত্বে থাকা কয়েকজন সেনা সদস্য তাঁর উপর শারীরিক হামলা চালায় এবং তার ইউনিফর্মের শার্ট ছিঁড়ে ফেলে। একই সাথে এসডিপিও বিজয় কুমারের ওপরও হামলা চালানো হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, হামলাটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল; সেনা সদস্যরা লাঠি, লোহার রড এবং সরকারি অস্ত্রসহ থানা প্রধান ফটক ও সীমানা প্রাচীর ভেঙে জোরপূর্বক প্রবেশ করে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তারা সরকারি ও জনসম্পত্তির ব্যাপক ক্ষতি করেছে—এতে আথোলি থানার এসএইচও ও এসডিপিওর গাড়ি এবং এআরটিওর সরকারি যানবাহনও ভাঙচুরের শিকার হয়েছে। এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনাটি তখন ঘটেছে যখন কাশ্মীরের সহকারী আঞ্চলিক পরিবহন কর্মকর্তা (এআরটিও) একটি সেনাবাহিনীর যানবাহন জব্দ করার পর।

পুলিশ আরও অভিযোগ করেছে, অভিযুক্ত সৈন্যদের মূল উদ্দেশ্য ছিল দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের ‘হত্যা করা’। ঘটনায় বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে ভারতীয় সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা ঘটনার তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করবে। প্রতিরক্ষা বিভাগের এক মুখপাত্র ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘ভারতীয় সেনাবাহিনী আইনগত প্রক্রিয়ায় পূর্ণ সহযোগিতা করবে। যৌথ তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্ত চলমান থাকায় এ পর্যায়ে এ বিষয়ে মন্তব্য করা যৌক্তিক হবে না।’

ঘটনাটির তদন্ত চলছে এবং পুলিশ ও প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ ও তদন্তের বিস্তারিত ফলাফল পাওয়া মাত্র পরবর্তী কর্মপদ্ধতি এবং আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo