1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি: নেতানিয়াহুকে রাজি না হলে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পর্ক ছিন্ন হতে পারে

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬

গাজা শান্তি পরিকল্পনা মেনে নেয়ার জন্য ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে চাপে রাখতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিজাত মিত্রতার ‘ডিভোর্স’ বা সম্পর্ক ছিন্ন করার হুশিয়ারি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি আরও দাবি করেছিলেন যে বর্তমানে অনেকেই—এদের মধ্যে কিছু ইহুদি নেতারাও—নেতানিয়াহুর প্রতি গভীর বিরক্তি অনুভব করছেন।

এই উত্তপ্ত ফোনালাপের বিবরণ ফাঁস করেছেন দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের দুই সাংবাদিক ম্যাগি হ্যাবারম্যান ও জনাথন সোয়ানের যৌথ গ্রন্থ ’রেজিম চেঞ্জ: ইনসাইড দ্য ইম্পেরিয়াল প্রেসিডেন্সি অব ডোনাল্ড ট্রাম্প’। বইটির সারমর্ম ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্টে প্রকাশিত হয়েছে।

বই অনুসারে, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে একটি জরুরি ও তীব্র বাক্যালাপ হয়। ট্রাম্প গাজা শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ইসরায়েলের ওপর জোর দিচ্ছিলেন। ওই ফোনালাপের সময় তাঁর বিশেষ শান্তি দূত স্টিভ উইটকফ এবং জামাতা জ্যারেড কুশনার সশরীরে উপস্থিত ছিলেন।

সূত্রে বলা হয়েছে, ফোনালাপে ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, “বিবি, সবাই তোমার ওপর বিরক্ত। সব ইহুদি তোমার ওপর বিরক্ত। এমনকি এই ফোনে থাকা দুই ইহুদিরাও (কুশনার ও উইটকফ) তোমার ওপর অসন্তুষ্ট।” আরও কড়া করে তিনি যুক্ত করেন যে এই চুক্তি ইসরায়েলের জন্য অত্যন্ত লাভজনক এবং যদি তা প্রত্যাখ্যান করা হয় তাহলে ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক চিরতরে ক্ষতিগ্রস্ত বা ‘ডিভোর্স’ ঘটতে পারে। তাঁর পরে একথাও বলেছিলেন যে তিনি সবসময় নেতানিয়াহুর পাশে থেকেছেন।

বইয়েই উল্লেখ আছে, ওই তীব্র কথাবার্তা হওয়ার মাত্র দুই দিন পর—২০২৫ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর—হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু যৌথভাবে ‘গাজা শান্তি পরিকল্পনা’ ঘোষণা করেন। সংবাদ করা হয়েছে যে নেতানিয়াহু ওই চুক্তি মেনে নেন এবং কাতারের দোহায় হামাস নেতার উপর চালানো বিমান হামলার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন।

তবে শান্তিচুক্তির পরও গাজায় মানবিক সংকট বৃদ্ধি, লেবাননে ইসরায়েলি হামলা এবং ইরানের সঙ্গে নতুন সামরিক-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে ট্রাম্প প্রশাসনের অভিষেকপর্বজুড়ে নেতানিয়াহুর যুদ্ধনীতির প্রতি ক্ষোভ ও অসন্তোষ রয়ে যায়। সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারেও ট্রাম্প স্বীকার করেছেন যে নেতানিয়াহুকে ‘মানসিকভাবে সুস্থ’ রাখতে মাঝে মাঝে তাকে কঠোরভাবে মোকাবিলা করতে হত।

সূত্র: আরটি, দ্য নিউইয়র্ক টাইমস (বই), দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo