1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

দিল্লি বিমানবন্দরে ডা. জাহেদকে হেনস্তা: ভারতের প্রতিক্রিয়া

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬

বাংলাদেশের রাজনীতিক তারেক রহমানের তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে দিল্লি বিমানবন্দরে হেনস্তার অভিযোগে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) দিল্লিতে অনুষ্ঠিত নিয়মিত সাংবাদিক সম্মেলনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, ডা. জাহেদ ব্যক্তিগত বেসরকারি পাসপোর্ট ও সার্ক ভিসা নিয়ে দিল্লি এসেছিলেন। ইমিগ্রেশনে তাকে যাচাই-বাছাই করা হয়েছিল এবং পরে সম্মেলনে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যটি নিশ্চিত হওয়ায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। তথাপি তিনি সম্মেলনে যোগ না দিয়ে ঢাকায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, añadió মুখপাত্র।

সংবাদগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ডা. জাহেদ ১৪ জুন ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশন (আইওআরএ) এর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের একটি সভায় যোগ দিতে দিল্লি পৌঁছান। সেখানে তিনি প্রথমে ইমিগ্রেশনে বাধার মুখে পড়েন এবং দীর্ঘ সময় বিমানবন্দরে অপেক্ষা করেন। পরে বাংলাদেশ হাইকমিশনসহ বিভিন্ন দফতরের তৎপরতায় তাকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তিনি দিল্লিতে থাকার পরিবর্তে কলম্বো হয়ে ঢাকায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, যা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয়।

ডা. জাহেদ বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও স্ট্র্যাটেজি, তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা হিসেবে পরিচিত; তার সিরিয়াল পদমর্যাদা প্রতিমন্ত্রীর সমুদ্রানুসারে আখ্যায়িত হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, কূটনৈতিক নোট পাঠানোর পরও ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে প্রথমে ঢুকতে বাধা দেয়। বিষয়টি নিয়ে পরে ঢাকার কর্তৃপক্ষ ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনারকে ডেকে একটি প্রতিবাদপত্র হস্তান্তর করে।

ঘটনাটি কৌতূহল ও তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছে—দুই দেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ ও বিমানবন্দর নিরাপত্তা প্রটোকল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভারতের মন্ত্রণালয়ের বর্ণনা অনুযায়ী পরিস্থিতি যাচাই-বাছাই ও অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার অংশ ছিল; বাংলাদেশ পক্ষ প্রতিবাদ করায় কূটনৈতিকভাবে বিষয়টি উত্থাপিত হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo