1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

অর্থমন্ত্রী: ধীরে ধীরে ব্যাংক নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প অর্থায়নে নজর

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সরকার দেশের জনঅর্থায়ন কাঠামো সংস্কারের মাধ্যমে ধীরে ধীরে স্থানীয় ব্যাংকের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বাজারভিত্তিক ও বিকল্প অর্থায়নের দিকে মনোযোগ দিচ্ছে।

রোববার (২১ জুন) গুলশানের লেকশোর হোটেলে বেসরকারি গবেষণা সংগঠন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত বাজেট পর্যালোচনা সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা জানান। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন।

মন্ত্রী বলেন, স্থানীয় ব্যাংক থেকে উচ্চ সুদে টাকা নিলে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ প্রতিবন্ধকতায় পড়ে। সরকার যদি ১০–১৩ শতাংশের মতো উচ্চ সুদে ব্যাংক ঋণ নেয়, তাহলে বেসরকারি খাত টিকে থাকা কঠিন হয়ে ওঠে এবং সেই ঋণ পরিশোধ সংক্রান্ত প্রশ্ন উঠে। এজন্য ২০২৫–২৬ ও ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে ব্যাংক ঋণ গ্রহণের প্রবণতা কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাজেট প্রস্তুতি ও বকেয়া বিষয়েও তিনি জানান, এই বাজেট প্রণয়নে মাত্র দেড় মাস সময় পাওয়া গেছে, Pad সাধারণত এই কাজ ছয় মাসে সম্পন্ন হয়। তাছাড়া আগের সরকারের কাছ থেকে বিভিন্ন বকেয়া বিলও উত্তরাধিকারে পেয়েছে সরকার; যেমন বিদ্যুতের প্রায় ৫০০ কোটি টাকার বকেয়া রয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমান বাজেটে প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থকে ডেট সার্ভিসিং বা ঋণের সুদে খরচ করতে হবে, যার ফলে সরকারের খরচ করার ক্ষমতা বা ‘ফিসকাল স্পেস’ সংকুচিত হয়ে আসছে।

সামাজিক নিরাপত্তা খাতে তিনি সরাসরি সহায়তা পৌঁছানোর উপর জোর দেন। বলেন, আমরা চেষ্টা করছি যাতে প্রদেয় টাকা সরাসরি গৃহিণী বা পরিবারের যোগ্য সদস্যের অ্যাকাউন্টে পৌঁছানো হয়—মধ্যস্থ কেউ না থাকে। বিশেষত ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে বাড়ির কাজে নিয়োজিত মহিলাদের কাজকে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে; এটি কেবল আর্থিক সহায়তা নয়, পরিবারগুলোকে সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে সক্রিয় করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে প্রতিবন্ধী এবং কৃষকদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরাসরি সেবা দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সীমিত সংস্থানিকতার মধ্যেও শিক্ষা খাতে জিডিপি অনুপাতে বাজেটে ২ শতাংশের বরাদ্দ রাখা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এটিকে ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, শিক্ষার মান বাড়ানো, ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড কাজে লাগানো এবং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার জন্য স্কিল ডেভেলপমেন্ট, রিস্কিলিং ও আপস্কিলিংয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ‘প্রিভেন্টিভ হেলথ কেয়ার’ বা প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমানোর চেষ্টা চলছে।

সংলাপে বাজেটের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন পিপিআরসি’র নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান, র‍্যাপিডের চেয়ারম্যান এম এ রাজ্জাক, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী পারভেজ, বিজিএমইএ’র জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইনামুল হক খান এবং গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সভাপতি মন্টু ঘোষ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo