1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ দুদক কমিশনার নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে রাফির মৃত্যু গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু; পাউবো প্রকৌশলী দম্পতি দুই দিনের রিমান্ডে সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত

সাইপ্রাসে নিখোঁজ বাংলাদেশি ছাত্র ইমনকে হত্যা করে মরদেহ দাফন, এক যুবক গ্রেপ্তার

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬

সাইপ্রাসে নিখোঁজ থাকা বাংলাদেশি শিক্ষার্থী সাহরুয়ার আহমেদ ইমনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনায় ২২ বছর বয়সী এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকারী ইমনের ফোন ব্যবহার করে তার বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করে মুক্তিপণ দাবি করেছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইমন গত ১২ জুন ওরোক্লিনি এলাকার বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন। তিনি কোফিনু এলাকার একটি কারখানায় প্রথম কর্মদিবসে যোগ দিতে যাচ্ছেন বলে পরিচিতদের জানিয়েছিলেন। নিখোঁজ হওয়ার রাত্রি তিনি একটি বন্ধুকে মোবাইল অ্যাপে লোকেশন পাঠান; এরপর থেকেই তার সঙ্গে আর কোনও যোগাযোগ ছিল না।

গ্রেপ্তারকৃত যুবক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করেছে বলে পুলিশ জানায়। সে দেখিয়েছে কী অস্ত্র দিয়ে হত্যাটি করা হয়েছে এবং নিহতের ব্যক্তিগত সামগ্রী কোথায় ফেলে রাখা হয়েছিল।

পুলিশ বলছে, ইমন ও অভিযুক্তের পরিচয় একটি বাসে হয়েছিল। অভিযুক্ত দাবি করেছে ইমন তাকে অপমান করেছিল; তবে তদন্তে পুলিশের ধারণা মূল উদ্দেশ্য ছিল অর্থ আদায়। অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার পাঁচদিন পর পরিকল্পনা করে অভিযুক্ত ইমনকে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ওরোক্লিনি থেকে নিয়ে যায় এবং পরে কোফিনু এলাকায় হত্যা করে একটি অগভীর কবর খুঁড়ে মরদেহ মাটিচাপা দেয়।

পুলিশের দাবি, হত্যার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্ত ইমনের ফোন ব্যবহার করে তার বাবার কাছে মুক্তিপণ দাবি করে; এভাবে অপহরণের নকশা সাজিয়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করা হয়েছিল।

উদ্ধারকৃত মরদেহটি পচনধরা অবস্থায় পাওয়া গেছে; প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে নিখোঁজ হওয়ার রাতেই ইমনকে হত্যা করা হয়েছে। মরদেহের উদ্ধারস্থলে ফরেনসিক তদন্ত চলছে এবং পুলিশ ঘটনার সম্পূর্ণ রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।

নিহত ইমন নরসিংদীর রায়পুরা বাখরনগর এলাকার নাসির মিয়ার ছেলে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo