1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০১:৪১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
যশোরসহ চার বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক গেটওয়ে হবে জলবায়ু রোধে ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-খাল খনন ও পুনঃখনন করবে সরকার যশোরসহ চার বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক গেটওয়ে হবে সরকার ঘোষণা: ৫ বছরে ২০ হাজার কিমি নদী-খাল খনন ও পুনঃখনন শপিংমল ও দোকানপাট রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার নতুন সিদ্ধান্ত বাজেটে বিদ্যুৎ-জ্বালানিতে উৎসে কর কমানোর প্রস্তাব আদালত নির্দেশ দিয়েছেন: সালমান শাহের লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হবে ৩০ বছর পর: সালমান শাহের লাশ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ বৃক্ষরোপণকে ‘সবুজ বিপ্লব’ে রূপান্তর করতে হবে: ডা. জুবাইদা রহমান মানবতাবিরোধী মামলায় হানিফসহ চারজনের রায় যেকোনাে দিন ঘোষণা হতে পারে

বৈদ্যুতিক ও হাইব্রিড গাড়ি আমদানিতে বড় শুল্ক-কর ছাড়ের প্রস্তাব

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬

সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বৈদ্যুতিক গাড়ি (ইভি), প্লাগ-ইন হাইব্রিড (পিএইচইভি) এবং চার্জিং অবকাঠামো আমদানিতে ব্যাপক শুল্ক-কর ছাড়ের প্রস্তাব করেছে। একই সঙ্গে জীবাশ্মজ্বালানিচালিত কিছু গাড়ির আমদানিতে কর বাড়ানোর ধারণাও রাখা হয়েছে। এই প্রস্তাব বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে উত্থাপিত বাজেট খসড়ায় জানানো হয়।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) পরিবেশবান্ধব যানবাহনের ব্যবহার বাড়াতে এসব উদ্যোগ নিয়েছে। বর্তমানে বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানিতে মোট করভার (মোট শুল্ক-কর ও ভ্যাট মিলিয়ে যে মোট প্রভাব) প্রায় ৯৩ শতাংশ। নবপ্রস্তাব অনুযায়ী, মূল্য ২৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত থাকা ইভির ক্ষেত্রে ওই করভার কমে ৬৪ শতাংশ হবে; আর ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত মূল্যের ইভির ক্ষেত্রে করভার ৮০ শতাংশ নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে।

বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের পরিবহনে ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক বাস আমদানিতে সব ধরনের শুল্ক-কর মওকুফ রাখার প্রস্তাব এসেছে। অন্যান্য ইলেকট্রিক বাস ও ট্রাকের জন্য ভ্যাট ছাড়া বাকি সব শুল্ক-কর ছাড়ের সুযোগ ২০৩০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এর লক্ষ্য দেশের বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎচালিত বাস-ট্রাক চালু করা সহজ করা।

প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়িতে কর সুবিধাও বাড়ানো হচ্ছে। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ২ হাজার সিসি পর্যন্ত ইঞ্জিনের পিএইচইভি গাড়ির সম্পূরক শুল্ক কমানো হবে এবং ১ হাজার ৮০০ সিসি পর্যন্ত নতুন পিএইচইভির ওপর থাকা নিয়ন্ত্রক শুল্ক পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হবে। এতে ১ হাজার ৮০০ সিসি পর্যন্ত ব্র্যান্ড নিউ পিএইচইভি গাড়ির মোট করভার বর্তমান ৯৩ দশমিক ১৬ শতাংশ থেকে কমে ৭৩ দশমিক ৪৩৭ শতাংশে নামবে। আর ২ হাজার সিসি পর্যন্ত ব্র্যান্ড নিউ পিএইচইভির করভার ১৩২ দশমিক ৩৬ শতাংশ থেকে কমে ৯৬ দশমিক ১০ শতাংশে নেমে আসবে।

চার্জার ও চার্জিং স্টেশন আমদানিতেও বড় ধরনের ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বর্তমানে এসব পণ্যের ওপর মোট করভার ৩৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ; প্রস্তাব কার্যকর হলে তা শূন্য শতাংশে নামিয়ে আনা হবে। দেশের চার্জিং নেটওয়ার্ক দ্রুত সম্প্রসারণ করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

অন্যদিকে, পরিবেশবান্ধব নীতির অংশ হিসেবে জীবাশ্মজ্বালানিচালিত (আইসি) ইঞ্জিনযুক্ত কিছু গাড়ির ব্যবহার নিরুৎসাহিত করতে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ সিসি ক্ষমতার গাড়ির ওপর কর বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে এই শ্রেণির গাড়ির মোট করভার ১৩২ দশমিক ৩৬ শতাংশ, যা বাড়িয়ে ১৫৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ করার প্রস্তাব আছে।

বাজেট খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে, অন্যান্য কিছু শ্রেণির গাড়ির আমদানিতে বিদ্যমান করহার অপরিবর্তিত রাখা হবে। সরকার আশা করছে, এসব নীতিগত পরিবর্তনের ফলে দেশে পরিবেশবান্ধব যানবাহনের ব্যবহার বাড়বে, জ্বালানি নির্ভরতা কমবে এবং দীর্ঘমেয়াদে কার্বন নিঃসরণ হ্রাসে সহায়ক হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo