1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
একনেক অনুমোদন দিলো ৩ হাজার ৮৯০ কোটি ৯৭ লাখ টাকার ১০টি প্রকল্প অর্থমন্ত্রী জানালেন: ২০২৬-২৭ বাজেটে বিড়ির দাম ও কর অপরিবর্তিত একনেকে অনুমোদন: ১০ প্রকল্পে ৩ হাজার ৮৯০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা বাজেটে বিড়ির দাম ও কর অপরিবর্তিত থাকবে: অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা নোয়াখালীতে সিএনজি থেকে নেমে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা যুবকে অবিরাম গুলি, গুরুতর আহত একনেকে অনুমোদন: ৩ হাজার ৮৯০ কোটি ৯৭ লাখ টাকার ১০টি প্রকল্প সারাদেশে বজ্রসহ ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস তনু হত্যা মামলায় সাবেক দুই সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা, ইন্টারপোলে রেড নোটিশের নির্দেশ ২০২৭ সালের হজ: আনুষ্ঠানিক রোডম্যাপ ঘোষণা সারাদেশে বজ্রসহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা

এসআইপিআরআই: প্রথমবারের মতো ১২টি পারমাণবিক ওয়ারহেড মোতায়েন করেছে ভারত

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬

আন্তর্জাতিক অস্ত্র-নজরদারি সংস্থা স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিːস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এসআইপিআরআই) জানিয়েছে, ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ভারত ১২টি পারমাণবিক ওয়ারহেড মোতায়েন করেছে। দেশী সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি মঙ্গলবার এই প্রতিবেদনের খবর তুলে ধরেছে।

এসআইপিআরআইর সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত ভারতের দীর্ঘদিনের পারমাণবিক নীতির তুলনায় একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। আগে ভারত পারমাণবিক боঝ ও এগুলো বহনের ব্যবস্থা আলাদাভাবে সংরক্ষণ করত—অর্থাৎ ওয়ারহেডগুলো সাধারণত মজুত থাকত এবং লঞ্চারের সঙ্গে অবিচ্ছিন্নভাবে যুক্ত করা হত না।

তবে প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে, এবার ভারতের কিছু ওয়ারহেড কার্যক্রমের জন্য ‘মোতায়েনকৃত’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। বিশেষত ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র সাইলো এবং নতুন পারমাণবিক সাবমেরিনে (এসএসবিএন) উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত রাখা ওয়ারহেড মোতায়েনের উচ্চ সতর্কাবস্থার ইঙ্গিত দেয়।

এসআইপিআরআই আরও জানায়, বছরের শুরু পর্যন্ত ভারতের মোট পারমাণবিক অস্ত্র মজুতের সংখ্যা প্রায় ১৯০টি মতো ধরা হচ্ছে — যা আগের বছরের তুলনায় সামান্য বাড়তি। এসব অস্ত্র বিমান, স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং সমুদ্রভিত্তিক এসএসবিএনের সমন্বয়ে গঠিত পারমাণবিক ত্রিমাত্রিক ব্যবস্থার অংশ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর ভারতের একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী সাবমেরিনে অল্পসংখ্যক ওয়ারহেড মোতায়েন এবং সমুদ্রভিত্তিক প্রতিরোধমূলক টহল পরিচালনার মতো পদক্ষেপও নেয়া হয়েছে, যা মোতায়েনকরণকে সামনে আনার ধারনাকে জোরদার করে। একই সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে ক্যানিস্টারে রাখার প্রক্রিয়া সম্পর্কিত আপডেটও দেশটির নীতिगत বাস্তবায়নে কিছু পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।

অন্যদিকে, ভারত এখনও “আগে ব্যবহার নয়” বা নো-ফার্স্ট-ইউজ (NFU) নীতি মেনে চলে। রাজধানী সূত্রের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ভারতের পারমাণবিক সক্ষমতা মূলত প্রতিষেধক — অর্থাৎ সম্ভাব্য আক্রমণকারীদের নিরুৎসাহিত করার উদ্দেশ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে, অপপ্রয়োগ বা বিস্তৃত প্রতিযোগিতায় জড়ানোর উদ্দেশ্য নয়।

এসআইপিআরআইর এই প্রতিবেদনের ফলে বোঝা যায় যে, ভারতের পারমাণবিক নীতি ও বাস্তবায়নে ধীরে ধীরে কিছু পরিবর্তন ঘটছে—বিশেষত মজুদ থেকে মোতায়েনের দিকে যদি আরও জোরালো অগ্রগতি হয়, তা ভবিষ্যতে ভূ-রাজনৈতিক এবং নিরাপত্তা পরিপ্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

সূত্র: এসআইপিআরআই রিপোর্ট ও এনডিটিভি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo