এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাল স্বাক্ষরের অভিযোগে তল্লাশি পরোয়ানা নিয়ে বিরোধী দলের এক তদন্তকারী সংস্থা—অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)—মঙ্গলবার (০৯ জুন) পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে পৌঁছায়। সকাল থেকেই তল্লাশি কার্যক্রম চালাচ্ছে সিআইডির একটি দল বলে জানানো হয়।
তথ্য অনুযায়ী, এই তল্লাশি একই সঙ্গে মমতা ও তাঁর দল তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য রাজনৈতিকভাবে চাপের সময় ঘটল। পার্টির অভ্যন্তরীন বিরোধ এবং প্রকাশ্য কোন্দলের মধ্যে এই তদন্ত নতুন অশান্তি বাড়িয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, কয়েকজন সাংসদীর স্বাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে বিধানসভার স্পিকারের কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে, যার মাধ্যমে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন জানানো হয়েছে। তবে ওই দলের দু’জন সাংসদ — ঋতাব্রত ব্যানার্জী ও সন্দীপন সাহা — দাবি করেছেন যে দলের ৬ মে অনুষ্ঠিত মিটিংয়ে বিরোধী দলনেতা মনোনয়ন সংক্রান্ত কোনো প্রস্তাব গৃহীত হয়নি।
দুই সাংসদ আরও জানান, বৈঠকের কার্যবিবরণীতে ১৯ মে তারা স্বাক্ষর করেছেন, কিন্তু ৬ মে তাদের কোনো স্বাক্ষর নেই। তাদের অভিযোগ, মোট প্রায় ৭০টি স্বাক্ষরের মধ্যে ১৪টি স্বাক্ষর বড় হাতের অক্ষরে লেখা ছিল, যা সন্দেহজনক বলে মনে করেন তারা।
এই ঘটনার পর তৃণমূল কংগ্রেস ওই দুই সাংসদকে দলবিরোধী কার্যকলাপে অভিযুক্ত করে দল থেকে বহিষ্কার করে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এনডিটিভি জানিয়েছে সিআইডির তিনটি পৃথক দল তল্লাশি চালাচ্ছে—একটি দল মমতার বাসভবনে, আর এক দল তাঁর ভাতিজা ও সংসদ সদস্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে এবং তৃতীয় দল অভিষেকের বাসভবে তল্লাশি চালাচ্ছে। মমতা বর্তমানে দিল্লিতে আছেন বলে রিপোর্টে বলা হয়েছে।
উপরোক্ত ঘটনার বিস্তারিত এবং পরবর্তী তদন্ত সংক্রান্ত অফিসিয়াল বিবৃতি এখনও প্রতীক্ষিত। সূত্র: এনডিটিভি