1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০২:২৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
একনেক অনুমোদন দিলো ৩ হাজার ৮৯০ কোটি ৯৭ লাখ টাকার ১০টি প্রকল্প অর্থমন্ত্রী জানালেন: ২০২৬-২৭ বাজেটে বিড়ির দাম ও কর অপরিবর্তিত একনেকে অনুমোদন: ১০ প্রকল্পে ৩ হাজার ৮৯০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা বাজেটে বিড়ির দাম ও কর অপরিবর্তিত থাকবে: অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা নোয়াখালীতে সিএনজি থেকে নেমে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা যুবকে অবিরাম গুলি, গুরুতর আহত একনেকে অনুমোদন: ৩ হাজার ৮৯০ কোটি ৯৭ লাখ টাকার ১০টি প্রকল্প সারাদেশে বজ্রসহ ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস তনু হত্যা মামলায় সাবেক দুই সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা, ইন্টারপোলে রেড নোটিশের নির্দেশ ২০২৭ সালের হজ: আনুষ্ঠানিক রোডম্যাপ ঘোষণা সারাদেশে বজ্রসহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা

প্রথমবার ১২টি পারমাণবিক ওয়ারহেড মোতায়েন, নীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬

স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এসআইপিআরআই) বলছে—ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ভারতের কাছে মোতায়েন করা ১২টি পারমাণবিক ওয়ারহেড রয়েছে, যা দেশটির পারমাণবিক নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। এই তথ্যটি মঙ্গলবার এনডিটিভির সংবাদে প্রধান করা হয়েছে।

এসআইপিআরআইয়ের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে ভারত পারমাণবিক warhead-গুলো এবং সেগুলো বহনের ব্যবস্থা আলাদা করে সংরক্ষণ করে আসত। কিন্তু এবার এসব অস্ত্রকে মজুত হিসাব না রেখে কার্যকর মোতায়েন হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে—যা গতকালের নীতিক্রম থেকে বড় বিচ্যুতি।

প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে যে, ভূগর্ভস্থ সাইলো এবং নতুন সমুদ্রভিত্তিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী সাবমেরিন (এসএসবিএন)-এ উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত অবস্থায় ওয়ারহেড রাখার ঘটনা উচ্চ সতর্কতার অংশ বলে ধরা হচ্ছে। সংস্থাটি জানায়, এই ১২টি মোতায়েনকৃত ওয়ারহেড সম্ভবত বহন ব্যবস্থা বা সক্রিয় বাহিনীর ঘাঁটিতে যুক্ত রাখা হয়েছে।

এসআইপিআরআই আরও বলেছে, গত বছর কিছু সংখ্যা ওয়ারহেড একটি এসএসবিএনে মোতায়েন রাখা ও প্রতিরোধমূলক সমুদ্র টহল পরিচালনার মাধ্যমে দেখা গেছে, এবং সামগ্রিকভাবে ভারতের মজুতে সামান্য বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত ভারতের মোট পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার আনুমানিক ১৯০টি পর্যন্ত পৌঁছেছে বলে সংস্থাটি ধারণা করছে।

রিপোর্টে পাশাপাশি উল্লেখ আছে যে, ভারতের পারমাণবিক শক্তি এখন বিমান, স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র ও সমুদ্রভিত্তিক সাবমেরিন—এই তিনটি উপায়ে সংসজ্জিত, যা একটি ত্রিমাত্রিক (triad) সংরক্ষণ ব্যবস্থা নির্দেশ করে। সাম্প্রতিক ক্যানিস্টারভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণ ও সমুদ্রভিত্তিক টহলে সক্রিয় অংশগ্রহণের নজির থেকে ধারণা করা হচ্ছে যে, শান্তিকালেও কিছু ওয়ারহেড লঞ্চারের সঙ্গে জোড়া লাগানোর দিকে দেশটি এগোচ্ছে।

তথ্যগুলো উল্লেখ করে এসআইপিআরআই এবং এনডিটিভি এই পরিবর্তনকে ভারতের পারমাণবিক নীতিতে একটি লক্ষণীয় মোড় হিসেবে দেখছে। তবু ভারতের অনুপস্থিতি স্পষ্ট: দেশ ‘প্রথম় ব্যবহার নয়’ নীতি মানে—ভারত প্রথমে পারমাণবিক হামলা করবে না বলে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দেশের পারমাণবিক ক্ষমতা সীমিত ও নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক; মূল উদ্দেশ্য হলো সম্ভাব্য আক্রমণকারীদের নিরুৎসাহিত করা, প্রতিদ্বন্দ্বিতায় লিপ্ত হওয়া নয়।

সূত্র: এসআইপিআরআই প্রতিবেদন এবং এনডিটিভি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo