1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০৫:১২ পূর্বাহ্ন

খুলনায় র‍্যাব গ্রেপ্তার ‘বি-কোম্পানি’ সহযোগী সজল আকন; পাঁচ দিনে গ্রেপ্তার ২৯১

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬

খুলনায় র‌্যাব ও পুলিশ যৌথ অভিযানে আরও ৩৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি)। গত রোববার (০৭ জুন) সন্ধ্যা থেকে সোমবার (০৮ জুন) সকাল পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।

কেএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই সাত-অভিযানের ধারাবাহিকতায় গত পাঁচ দিনে মোট ২৯১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে নগরের বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) যৌথ টহল ও রোডপাল পরাক্রমে তৎপর ছিল।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের থানা অনুযায়ী বিভাজন— খুলনা থানার ৯ জন, সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ১০ জন, লবণচরা থানার ৪ জন, খালিশপুর থানার ৩ জন, দৌলতপুর থানার ২ জন, খানজাহান আলী থানার ৩ জন এবং ডিবি পুলিশের অভিযানে ২ জন।_ops

এছাড়াও অভিযানে ২০৪টি ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৯ পুরিয়া গাঁজা জব্দ করা হয়েছে।

অভিযানকারীদের মধ্যে র‍্যাব-৬ এর স্পেশাল কোম্পানির একটি দল গত রাতে লবণচরা থানার স্লুইসগেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ‘বি-কোম্পানি’র সহযোগী হিসেবে পরিচিত সজল আকন (৩৪)কে গ্রেপ্তার করেছে। সজল আকনের বিরুদ্ধে হত্যা, বিশেষ ক্ষমতা আইনের বিভিন্ন ধারায়, চুরি ও মারধরের অভিযোগে খুলনার বিভিন্ন থানায় মোট চারটি মামলা বিচারাধীন আছে।

কেএমপি জানিয়েছে, শহরে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসা প্রসারে উদ্বেগ বাড়ায় গত বুধবার সদর দফতরে এক বিশেষ অপরাধ সংক্রান্ত সভায় সমন্বিত অভিযানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে শহরের বিভিন্ন অঞ্চলে বিশেষভাবে নজরদারি ও অভিযানের ধারা চালানো হয়েছে।

যৌথ অভিযানের গতিবিধি সম্পর্কে কেএমপি জানান— গত মঙ্গলবার রাতে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘গ্রেনেড বাবুর’ ঘনিষ্ঠ সহযোগী রাব্বিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত কেএমপির দক্ষিণ বিভাগের পৃথক অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ৬৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়; সেই অভিযানে একটি দেশীয় বন্দুক ও ১১টি মোটরসাইকেল ও একটি পিকআপ জব্দ করা হয়।

গত শুক্রবার কসাই লিটন, রিফাতসহ ৫৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার ৬২ জন এবং রোববার আরও ৭৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে আছে কসাই লিটন, রিফাত এবং পলাশ গ্রুপের নেতা শেখ পলাশের সহযোগী ও চিহ্নিত সন্ত্রাসী কাজী রাফসান মাহমুদ (ওরফে পার্থ)ও।

কেএমপি ও র‍্যাবের যৌথ এ কর্মসূচি সম্পর্কে তারা বলেছেন, নগরের আইনশৃঙ্খলা চাঙ্গা করা এবং জনগণকে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা তাদের প্রধান লক্ষ্য। অভিযান চলমান আছে এবং সন্দেহভাজনদের আইনের আওতায় তোলা হবে বলে জানানো হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo