1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

এনবিআর বাড়ালো ই-ভ্যাট রিটার্ন অনলাইনে অন্তর্ভুক্ত করার সময়সীমা — ৩০ জুন পর্যন্ত

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আগামী জুলাই থেকে অনলাইনভিত্তিক ভ্যাট রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ব্যবসায়ীদের কাগজভিত্তিক (হার্ড কপি) ভ্যাট রিটার্নগুলো ই-ভ্যাট সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করার সময়সীমা বাড়িয়েছে। রোববার এনবিআর-এর পাঠানো এক সংবাদবিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

এনবিআর জানিয়েছে, হার্ড কপিতে জমা দেওয়া মাসিক ভ্যাট রিটার্নগুলোর ডিজিটাল সংরক্ষণ ও অনলাইন সিস্টেমে অন্তর্ভুক্তির সুবিধার্থে ই-ভ্যাটে ‘হার্ড কপি রিটার্ন এন্ট্রি’ নামে একটি নতুন সাব-মডিউল সংযোজন করেছে। এ সাব-মডিউল ব্যবহারের নির্দেশনা দেয়া হয়ে গত ৫ জানুয়ারি একটি পরিপত্রও জারি করা হয়েছিল। প্রথমে এসব হার্ড কপি রিটার্ন অনলাইনে অন্তর্ভুক্ত করার শেষ সময়সীমা ৩১ মার্চ নির্ধারণ করা হয়েছিল।

তবে ই-ভ্যাট প্ল্যাটফর্মের তথ্য অনুযায়ী এমন অনেক রিটার্ন এখনো অনলাইন সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। তাই ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করার সুযোগ দিতে এবং অনলাইন দাখিল ব্যবস্থা সুষ্ঠুভাবে চালু করার লক্ষ্যে এনবিআর সময়সীমা বাড়িয়ে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত করেছে। উল্লেখ্য, জুলাই থেকে অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআর সতর্ক করে বলেছে, সংশোধিত সময়সীমার মধ্যে কাগজভিত্তিক রিটার্নগুলো ই-ভ্যাট সিস্টেমে এন্ট্রি করতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো বিধিনিষেধের সম্মুখীন হবে। নির্দিষ্ট শর্তে তাদের সমাপনী স্থিতি (ক্লোজিং ব্যালেন্স) ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত স্থগিত (ফ্রিজ) করে দেওয়া হতে পারে, ফলে ওই স্থিতির বিপরীতে ভবিষ্যতে কোনো সমন্বয় করা যাবে না।

এছাড়া ভ্যাট ফেরতের (রিফান্ড) মোটামুটি সব আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ভ্যাট রিটার্ন অনলাইনে থাকা বাধ্যতামূলক বলেও জানানো হয়। ফলে পূর্ববর্তী সব ভ্যাট রিটার্ন ই-ভ্যাট প্ল্যাটফর্মে অন্তর্ভুক্ত না করা হলে রিফান্ডের জন্য আবেদন করাও সম্ভব হবে না।

এনবিআর বলেছে, দেশের রাজস্ব ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়ানোর পাশাপাশি রাজস্ব কার্যক্রমের পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল রূপান্তর নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। তাই তারা করদাতাদের সহযোগিতা কামনা করেছে এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় এন্ট্রি সম্পন্ন করার প্রতি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo