1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ০১:৪২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
বিএনপি: চাঁদাবাজি ও মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান মগবাজারে সাংবাদিকদের সঙ্গে ঘটনার জন্য আদ্-দ্বীনের দুই কর্মীকে সাময়িক অব্যাহতি মগবাজারে সাংবাদিকদের সঙ্গে বিবাদ: আদ্-দ্বীনের দুই কর্মী সাময়িকভাবে অব্যাহতি শিশু নির্যাতন রোধে জাতীয় শিশু নিরাপত্তা টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান দিলেন ডেপুটি স্পিকার বর্ষার আমেজ জোরালো: সক্রিয় মৌসুমি বায়ু কক্সবাজার পর্যন্ত, বৃষ্টি বাড়ছে শোকজের জবাব না পেলে আদ-দ্বীনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাঙ্গাবাড়ী সীমান্তে ২৮ জন নো-ম্যান্স ল্যান্ডে, খাবার-আশ্রয়ের অভাবে ভোগান্তি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ফ্রিল্যান্সিং আয় থেকে উৎসে কর বাতিল, কাটা টাকা ফেরত চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে শূন্যরেখায় আটকা ২৮ জন, বিজিবি ঠেকাল নয়াদিল্লির হোটেল আগুনে কুমিল্লার নুরুল আমিন সোহাগের মৃত্যু, বোন-ভগ্নিপতি আশঙ্কাজনক

বন্ধ কারখানা চালু করতে সর্বোচ্চ ২০০ কোটি টাকা ঋণ, গ্রাহক সুদ ৭%

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংক বন্ধ বা আংশিকভাবে চালু থাকা কারখানা পুনরায় পুরো ক্ষমতায় চালুর জন্য ২০ হাজার কোটি টাকার প্রাক-অর্থায়ন তহবিল ঘোষণা করেছে। বৃহস্পতিবার রাতে জারি করা ‘বন্ধ শিল্প ও সেবা খাত–সহায়ক প্রাক-অর্থায়ন স্কিম’ নীতিমালায় এসব তহবিল থেকে ঋণ পেলে গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সুদ দিতে হবে ৭ শতাংশ।

নতুন নীতিমালার মূল উদ্দেশ্য হলো ঝিমিয়ে পড়া শিল্প-কারখানা ও সেবা খাতে গতি আনা, উৎপাদন বাড়ানো এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, ব্যাংকগুলো তহবিল থেকে ৪ শতাংশ সুদে টাকা নিয়ে গ্রাহকদের ৭ শতাংশ সুদে ঋণ দেবে। বর্তমানে ব্যাংকখাতে সাধারণ সুদের হার প্রায় ১৪ শতাংশের বেশি হওয়ায় এই স্কিমে শিল্পোদ্যোক্তারা প্রায় অর্ধেক সুদে চলতি মূলধন যোগাড় করতে পারবেন।

প্রতিটি কোম্পানি বা গ্রুপ সর্বোচ্চ ২০০ কোটি টাকা পর্যন্ত চলতি মূলধন হিসেবে ঋণ নিতে পারবে। গ্রাহক পর্যায়ে ঋণের মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ এক বছর, যা প্রয়োজনে ব্যবহারের ভিত্তিতে নবায়নযোগ্য। গ্রাহকদের জন্য প্রথম ৬ মাসের গ্রেস পিরিয়ড রাখা হয়েছে, অর্থাৎ ঋণের উপর সুদের কিস্তি আদায় ৬ মাস পর থেকে শুরু হবে।

এই তহবিল থেকে মূলত তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে যারা জরুরি যন্ত্রপাতি থাকা সত্ত্বেও চলতি মূলধনের অভাবে উৎপাদন বা সেবা পুরো করতে পারছে না। বিশেষভাবে রপ্তানিমুখী এবং প্রচ্ছন্ন রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এছাড়া কোনো দক্ষ প্রতিষ্ঠান যদি বন্ধ কোনো প্রতিষ্ঠান অধিগ্রহণ বা ইজারা নিয়ে সেটি সচল করার উদ্যোগ নেয়, তবে তারা-ও সুবিধা পাবে।

ঋণগ্রহীতাদের জন্য কিছু শর্তও রাখা হয়েছে। আবেদনকারীর সার্ভিসিং রেকর্ড সিআইবি (ঋণ তথ্য ব্যুরো) অনুসারে ভাল থাকতে হবে; কোনো খেলাপি হিসাব বা পূর্বে অর্থপাচার ও ঋণের অপব্যবহারের কোনো রেকর্ড থাকা চলবে না। তহবিল থেকে নেওয়া অর্থ দিয়ে আগের কোনো ঋণের পুনর্গঠন বা পরিশোধ করা যাবে না।

ঋণের ব্যবহার নির্দিষ্ট কাজে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে — শ্রমিক-কর্মচারীর সর্বোচ্চ চার মাসের বেতন-ভাতা পরিশোধ, বিদ্যুত্‌, গ্যাস ও অন্যান্য জরুরি পরিষেবা বিল পরিশোধ, এবং উৎপাদনের জন্য কাঁচামাল সংগ্রহে অর্থ ব্যয় করা যাবে। শ্রমিকদের বেতন অবশ্যই তাদের ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে সরাসরি পাঠ করতে হবে; নগদে প্রদান অনুমোদিত নয়।

নিয়মিত তদারকির জন্য ব্যাংকগুলোকে গ্রাহকদের কাছ থেকে সাপ্তাহিক বিক্রয় বা রাজস্ব রিপোর্ট সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে। ব্যাংকের প্রতিনিধি তিন মাস অন্তর কারখানা পরিদর্শন করে প্রতিবেদন দেবে এবং বাংলাদেশ ব্যাংক যেকোনো সময় স্থলপরিদর্শন করে ঋণের সঠিক ব্যবহার যাচাই করবে। নির্ধারিত সময়ে অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের চলতি হিসাব থেকে টাকা কেটে নেওয়া হবে এবং অতিরিক্ত ২ শতাংশ জরিমানা সুদ আরোপ করা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, এই তহবিল থেকে দেশের সব ব্যাংক ঋণ নিতে পারবে এবং সফলভাবে তহবিল ব্যবহারে অনুপ্রাণিত গ্রাহক ও ব্যাংককে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হবে। উল্লেখ্য, এ সিদ্ধান্তটি গত ২৩ মে গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের ঘোষিত ৬০ হাজার কোটি টাকার তহবিল ঘোষণার ধারাবাহিকতায় নেওয়া হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo