1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ১২:২১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

খুলনায় শাশুড়ি ও দুই সন্তান হত্যায় স্বীকারোক্তি দিলেন সৎবাবা রফিকুল

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬

খুলনার সোনাডাঙ্গায় শাশুড়ি ও দুই শিশুকে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন তাদের সৎবাবা ও মামলার প্রধান আসামি রফিকুল ইসলাম হাওলাদার। শনিবার (৬ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফরিদুজ্জামানের আদালতে তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। আদালত থেকে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

র‌্যাব-৬ বৃহস্পতিবার সকালেই বরিশালের কাশিপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছিল। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশওসি (তদন্ত) অনিমেষ মণ্ডল জানান, ঘটনার আগে অনৈতিক দৃশ্য ও পারিবারিক কলহ ছিল। ঈদের রাতে মেরী বেগমের মা রাগ করে রফিকুলকে ঘর থেকে বের করে দেন। পরের দিন শনিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে রফিকুল পুনরায় বাড়িতে ফিরে যান। মেইন গেট ও ঘরের দরজা খোলা ছিল।

ওসি অনিমেষ জানান, রফিকুল ঘরে ঢুকলে শাশুড়ি বেবী বেগম তাকে দেখতে শুরু করেন এবং গালাগালি করেন। ওই মুহূর্তে রফিকুল তাকে ঠেলে ঘরের ভেতরে ফেলে এবং শাশুড়ির গায়ে থাকা ওড়না দিয়ে গলা টিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। এরপর ঘটনা একজন শিশুর, শামীমের, খেয়াল করে তাকেও একইভাবে হত্যা করা হয়। শামীমের চিৎকারে ঘুম থেকে জেগে পড়া মুস্তাকিমকে রফিকুল ট্রাংকের ওপর রাখা পায়জামা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার কথা দাবি করা হয়।

পুলিশ বলছে, রফিকুল নিহতদের লাশ লুকিয়ে রাখেন—শাশুড়ির লাশ খাটের নিচে, শামীমের লাশ ট্রাংকের ওপর এবং মুস্তাকিমকে একটি ওয়ারড্রবের ড্রয়ারে গোপন করে তালা দিয়ে রাখা হয়। পরে ঘটনার পর মেরী বেগম ঘুম থেকে উঠে ঘরবন্ধ দেখেন। ভেতর থেকে অনেকবার দরজা ধাক্কা দিয়ে রফিকুল দরজা খুলে দেন। মেরী তার মা ও ছেলে খুঁজতে থাকেন; তখন রফিকুল জানায় শাশুড়ি বাড়ি ছাড়ে গেছেন। দুপুরে একই বাড়িতে তারা একসাথে খাওয়া-দাওয়া করেন। পরে ঘর থেকে দুর্গন্ধ আসলে তালা কাটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়; তখন রফিকুল ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। তিনি প্রথমে সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে যান, সেখানে দৌলতপুর ও ফুলবাড়ি গেটে কিছুক্ষণ অবস্থান করে রাতের দিকে খুলনা ছাড়ে এবং বরিশালের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

র‌্যাব-৬’র সদস্যরা তাকে গ্রেপ্তার করে শুক্রবার দুপুরে থানায় হস্তান্তর করেন। তদন্তে রফিকুল প্রথমে নিজের দোষ অস্বীকার করেন, পরে রাতে দোষ স্বীকার করে এবং আদালতে জবানবন্দি দিতে অনুরোধ করেন। মামলাটি তদন্তাধীন এবং আরও বিস্তারিত আইনগত প্রক্রিয়া চলবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo