1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

অরুণাচলে অনুমোদনবিহীন ১৫টি মসজিদ সিলগালা

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬

অরুণাচল প্রদেশের রাজধানী ইটানগরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুমতি ছাড়া নির্মিত ১৫টি মসজিদ সিলগালা করা হয়েছে, এমন খবর জানিয়েছে ভারতের এনডিটিভি। সরকার সূত্রে জানা গেছে, এসব স্থাপনা বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসা আদিবাসী যুব সংগঠন এপিআইওয়াইও-এর চাপের পর এ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরেই এলাকার কথিত অবৈধ জমি দখল, অননুমোদিত ধর্মীয় স্থাপনা ও জনসংখ্যার পরিবর্তন নিয়ে ক্ষুব্ধ ছিল। তারা রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টার বনধও করেছিল এবং তাদের দাবি না মানলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। ওই চাপের প্রেক্ষিতে রাজ্য প্রশাসন জেলা স্তরে একটি জরিপ করায় ইটানগরেই ১৫টি অননুমোদিত মসজিদ চিহ্নিত হয়।

মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডুর ডাকা একটি উচ্চপর্যায় বৈঠকের পর জেলা কর্তৃপক্ষকে এসব স্থাপনা শনাক্ত করে উপযুক্ত আইনি পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। সরকারি অডিটে পাওয়া ১২টি স্থাপনা সম্পর্কে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়ে সেগুলো সিল বা খালি করা হয়েছে। বাকি তিনটি স্থাপনার বিষয় ১ জুনে মুখ্যমন্ত্রী ও এপিআইওয়াইও নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত আলাপনায় পুনর্বিবেচনা করে তদনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

রাজ্য সরকারের মুখপাত্র ও শিক্ষামন্ত্রী পি ডি সোনা বলেছেন, জেলা কর্তৃপক্ষ প্রশাসনিক ও আইনি দিকগুলো মাথায় রেখে এই পদক্ষেপ নিয়েছে এবং কিছুকিছু উদ্বেগ বিষয় ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক ব্যবস্থায় সমাধান করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, সরকারের লক্ষ্য হল আইনর মধ্যে থেকেই আদিবাসীদের পরিচয়, সংস্কৃতি ও অধিকার নিশ্চিত করা।

ঘটনাটি নিয়ে অরুণাচলে অবৈধ অভিবাসন, জনসংখ্যাগত পরিবর্তন এবং আদিবাসী সুরক্ষার প্রশ্নগুলো নতুন করে তোলার বিষয় তৈরি করেছে। রাজ্য কর্তৃপক্ষ একে বৃহত্তর সুরক্ষার অংশ বলেও উল্লেখ করেছে এবং সীমান্ত এলাকা হওয়ায় তৎপর নজরদারির গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছে।

অধিকাংশ পক্ষই বলছে—আইনগত ও প্রশাসনিক কৌশল কাজে লাগিয়ে সমস্যার টেকসই সমাধানই প্রত্যাশিত। এপিআইওয়াইও এখনও তাদের ভবিষ্যৎ কর্মসূচি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে; সাংগঠনিক নেতারা জানায়, শর্টকোর্স সমাধান হলে তারা পরবর্তী যে কোনো বনধ ঘোষণার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করবে।

উল্লেখ্য, সরকারিভাবে এই পদক্ষেপ নেওয়ার সময় স্থানীয় সম্প্রদায়ের অনুভূতি এবং আইনগত বাধ্যবাধকতা—উভয় বিষয়কই সমন্বয় রাখা হয়েছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo