1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০:১১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

তিন মাসে খেলাপি ঋণ বাড়ল ৩১,৪৮৮ কোটি টাকা

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬

ব্যাংক খাতে খেলাপি (এনপিএল) ঋণ আবার বাড়ছে — গত তিন মাসে তা বেড়েছে ৩১,৪৮৮ কোটি টাকায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বরের শেষেই খেলাপি ঋণ ছিল ৫ লাখ ৫৭ হাজার ২১৬ কোটি টাকা। মার্চ শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকায়। ওই সময় খেলাপি হার পেছানোয়ের বদলে ১ দশমিক ৬৬ শতাংশ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে; গত বছরের ডিসেম্বর শেষে খেলাপি হার ছিল ৩০ দশমিক ৬ শতাংশ।

একই সময়ে ব্যাংক থেকে মোট বিতরণকৃত ঋণও বাড়েছে ৩১,৪৮৭ কোটি টাকা; মার্চে মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ২৪ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকায়। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি ইতিহাসের সর্বনিম্নে থাকলেও প্রধানত সুদের হার বাড়ায় মোট ঋণের পরিমাণ বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন নীতি-সহায়তার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরেই খেলাপিদের জন্য ঋণ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠনের সুযোগ দিয়ে আসছে। নিরাপত্তা নীতির আওতায় ডিসেম্বরে বড় অঙ্কের কিছু ঋণ পুনঃতফসিল করে খেলাপি ঋণ সংকট সাময়িকভাবে কমিয়েও আনা হয়েছিল। তবু তিন মাসের ব্যবধানে পুনরায় ঋণের পরিমাণ বাড়েছে।

এছাড়া ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে অনেকে নিজেদের খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিল করেছেন বা রিশিডিউল করেছেন, যার কারণে আপাতত অনেক ঋণ আদায় স্থগিত আছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, “খেলাপি ঋণ আদায়ের যে পরিমাণ প্রত্যাশিত ছিল, সেইসব আদায় সম্পূর্ণভাবে হয়নি। একদিকে পুনঃতফসিল করা ঋণের ওপর সুদ যোগ হওয়ায় পরিমাণ বেড়েছে; অন্যদিকে নীতি-সহায়তার কারণে যারা ঋণ পুনঃতফসিল পেয়েছে তাদের দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ড আছে, ফলে এখন আদায় কম হয়েছে। গ্রেস পিরিয়ড শেষ হলে আদায়ের গতি বাড়বে।” তিনি আরও বলেন, “নির্বাচনের আগে যারা রিশিডিউল করেছেন তাদের মধ্যে অনেকেই মাত্র ২% ডাউনপেমেন্ট দিয়েছেন, যার মাধ্যমেই তৎকালীন এনপিএল রিপোর্টে ঋণ কম দেখানো সম্ভব হয়েছে।”

বাংলাদেশ ব্যাংকের রেকর্ড অনুযায়ী, দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণ ছিল ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে; তখন মোট ঋণের প্রায় ৩৬ শতাংশ খেলাপি ছিল, টাকার দিক থেকে যার পরিমাণ ছিল ছয় লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকায়।

বিশেষ নীতি-সহায়তার মাধ্যমে ডিসেম্বরে কিছু বড় ঋণ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠন করে এনপিএল কমানো গেলেও পরবর্তী তিন মাসে পরিস্থিতি ফের অবনতি হয়েছে — আয়-জমা ও সুদবৃদ্ধি মিলিয়ে খেলাপি ঋণের পরিমাণ আবার বাড়ছে, যা বাণিজ্য ও অর্থনীতির জন্য সতর্কবার্তা বলে বিভিন্ন বিশ্লেষক মনে করছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo