1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় সন্ত্রাসীর আস্তানা ভেঙে ফেলা হবে ঈদে ১০ দিনে পদ্মা-যমুনা সেতুতে টোল আয় প্রায় ৬৪ কোটি টাকা হজ শেষে দেশে ফেরত ৬ হাজার ১৭৫ জন হাজি দেশ গড়তে সবাইকে সচেতনতার আহ্বান দিলেন তারেক রহমান রাষ্ট্রপতি: শহীদ জিয়ার আদর্শ নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা দেশ গড়তে প্রত্যেকের সচেতনতা জরুরি: তারেক রহমান রাষ্ট্রপতি: শহীদ জিয়ার আদর্শ নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা ভারতীয় হাইকমিশন স্মরণ করলো জিয়াউর রহমানের একাত্তরের বেতার ভাষণ রাষ্ট্রপতি: শহীদ জিয়ার আদর্শ নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ, বিএনপি ঘোষণা বিশেষ কর্মসূচি

পশ্চিমবঙ্গে হোল্ডিং সেন্টারে আটক প্রায় ৪০০; বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গে হোল্ডিং সেন্টার চালু হওয়ার প্রথম এক সপ্তাহে রাজ্য প্রশাসন প্রায় ৪০০ জন কথিত ‘বাংলাদেশি’কে আটক করেছে এবং তাঁদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

রাজ্যের সরকারি সূত্রে জানা গেছে, সর্বাধিক সংখ্যক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে বসিরহাট পুলিশ জেলায় — সেখানে বর্তমানে ৩৩৫ জনকে রাখা হয়েছে। এসবকে তেঁতুলঘাটি, পাথরশাঁতি, চরঘাট ও সুভাষ নগরের বন্যা ত্রাণকেন্দ্রগুলোর হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছে।

বসিরহাট ছাড়াও মালদা, মুর্শিদাবাদ ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় কথিত বাংলাদেশি অভিবাসীদের আটক করার খবর পাওয়া গেছে। বারুইপুর, বারাসাত, কোচবিহার, জঙ্গিপুর, কৃষ্ণনগর ও বনগাঁ পুলিশ জেলাগুলোতেও আটক ব্যক্তিদের রাখা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

রাজ্য প্রশাসন এসব হোল্ডিং সেন্টারে নিরাপত্তা ও নজরদারি জোরদার করেছে। সূত্র বলছে, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনগুলোকে বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে আটক ও প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া দ্রুত এবং নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করা যায়। সেন্টারগুলোতে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও বাড়তি মোতায়েন করেছে।

আরেকটি তথ্য অনুযায়ী, ওই কথিত অভিবাসীদের মধ্যে কেরালায় কর্মরত চার শ্রমিকও রয়েছেন। তাঁরা ২৬ মে হাকিমপুর সীমান্ত ফাঁড়িতে পৌঁছান এবং পরে উত্তর ২৪ পরগনার একটি আটক কেন্দ্রে পাঠানো হয়।

ফোনে কথা বলার সময় ওই চারজনের একজন মতলেব হোসেন বলেন, ‘‘গতকাল আমাদের বায়োমেট্রিক তথ্য নেওয়া হয়েছে — আঙুলের ছাপ ও অন্যান্য পরিচয়গত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। বিএসএফ কর্মকর্তারা আমাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন, কীভাবে ভারতে প্রবেশ করেছি, কোথায় কাজ করেছি এবং কোথায় থেকেছি — এসব তথ্য আমরা জানিয়েছি।’’

এখনও ফেরত পাঠানোর আনুষ্ঠানিকতা ও সময়সূচি সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি। তদন্ত ও প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo