1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
দেশ গড়তে প্রত্যেকের সচেতনতা জরুরি: তারেক রহমান রাষ্ট্রপতি: শহীদ জিয়ার আদর্শ নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা ভারতীয় হাইকমিশন স্মরণ করলো জিয়াউর রহমানের একাত্তরের বেতার ভাষণ রাষ্ট্রপতি: শহীদ জিয়ার আদর্শ নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ, বিএনপি ঘোষণা বিশেষ কর্মসূচি ঐক্যহীনতার কারণে সবাই ওয়েজ বোর্ডে ন্যায্য বেতন পাচ্ছেন না: মির্জা ফখরুল ঈদে সড়ক-রেল দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত, মোটরসাইকেল আরোহী ১১ বায়তুল মোকাররমে হাজারো মুসল্লির উপস্থিতিতে ঈদুল আজহার প্রথম জামাত বায়তুল মোকাররমে ঈদুল আজহার প্রথম জামাত সম্পন্ন সরকার দেশকে উন্নত অবস্থায় নিয়ে যেতে কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী

সিচুয়েশন রুমের বৈঠকেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি ট্রাম্প

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ গ্রহণের জন্য শীর্ষ সহযোগীদের নিয়ে হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে বৈঠক করেছেন। কিন্তু বৈঠকের পরও কোনো স্পষ্ট সমঝোতা বা পরবর্তী পরিকল্পনা অনিবেদন করা হয়নি।

ট্রাম্প বারবার জোর দিয়েছেন, ইরানকে নিশ্চিত করতে হবে যে তারা কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না। তিনি বলেছেন, হরমুজ প্রণালী উভয় পক্ষের জন্যই অবাধ নৌচলাচলের জন্য খোলা থাকবে এবং সেখানে থাকা সব মাইন অপসারণ বা ধ্বংস করা হবে।

বৈঠকটি শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়। আগে থেকেই ইরান বলেছিল তারা পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কোনো আলোচনা করছে না। মার্কিন কয়েকজন কর্মকর্তার মতে, বৃহস্পতিবার দুদিকের প্রতিনিধিরা একটি সমঝোতা স্মারকের (মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং) খসড়ায় একমত হয়েছিল, কিন্তু তা কার্যকর করতে ট্রাম্প ও ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের অনুমোদন দরকার। প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় ৬০ দিনের জন্য যুদ্ধবিরতি বাড়ানো এবং এরপর ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা শুরু করার কথা ছিল।

হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা সিবিএস নিউজকে বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কেবল এমন চুক্তিতেই সম্মত হবেন যা যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষা করবে এবং তার শর্তগুলো পূরণ করবে। ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হবে না।’

ট্রাম্প গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে কয়েকবার বলেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সমঝোতার কাছাকাছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কোনো চিহ্ন দেখা যায়নি।

শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেছেন, তিনি হরমুজ প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ তুলে নিতে প্রস্তুত, যাতে সেখানে আটকে থাকা জাহাজগুলো তাদের গন্তব্যে ফিরতে পারে। তিনি আরো দাবি করেছেন, ইরানকে তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করতে হবে যাতে তা অপসারণ ও ধ্বংস করা যায়। ট্রাম্প বলেন, ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কোনো অর্থ লেনদেন হবে না,’ তবে ‘অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয়ে কিছু সমঝোতা হয়েছে’ বলে জানান তিনি।

বৈঠকের পরে হোয়াইট হাউসের আরেক কর্মকর্তা বিবিসিকে জানিয়েছিলেন সিচুয়েশন রুমের বৈঠক শেষ হয়েছে, কিন্তু বিস্তারিত দিননি।

ইরানের ফার্স সংবাদ সংস্থা এক সূত্রের বরাতে বলেছে, ট্রাম্পের বক্তব্যে ‘সত্য ও মিথ্যার মিশ্রণ’ আছে এবং তারা জানায় যে সমঝোতা স্মারকে পারমাণবিক উপকরণ ধ্বংসের শর্ত ছিল না। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেছেন, তাদের মূল লক্ষ্য যুদ্ধ বন্ধ করা, এবং পারমাণবিক ইস্যুতে কোনো আলোচনা চলছে না।

ওয়াশিংটন দীর্ঘদিন ধরে ইরানকে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম উৎপাদন বন্ধ ও বিদ্যমান মজুদ সরিয়ে নিতে বলছে, কারণ তাদের আশঙ্কা এসব উপকরণ পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহার হতে পারে। ইরান বারবার বলেছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ।

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, আলোচকরা এখনও কিছু ভাষাগত বিষয়ের ওপর কাজ করছেন, যার মধ্যে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বিষয়টিও রয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা এখনো চূড়ান্ত পর্যায়ে নেই, তবে খুব কাছাকাছি আছি।’

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালায়; জবাবে ইরান পাল্টা হামলা করে এবং এমন পর্যায়ে পৌঁছে যায় যে হরমুজ প্রণালি প্রায় বন্ধ হয়ে পড়ে, যার ফলেই বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি পায়। সাম্প্রতিক দিনে দুপক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে।

এই নিবন্ধের তথ্য সূত্র: বিবিসি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo