1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ইরানে আবারও মার্কিন হামলা, শান্তিচুক্তি অনিশ্চিত

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬

মুসলিম বিশ্বের দক্ষিণাঞ্চলে—ইরানের উপকূলে—আবারও সামরিক হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলো এবং সমুদ্রপথে মাইন স্থাপন করতে যাওয়ার চেষ্টা করা কিছু নৌযান ছিল এই অভিযানগুলোর লক্ষ্য।

মার্কিন সেনাবাহিনী হামলাগুলোকে ‘আত্মরক্ষা’ হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং দাবি করেছে এগুলো ছিল ইরানি বাহিনীর সম্ভাব্য হুমকি থেকে তাদের সৈন্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যেই নেওয়া। সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স বলেছেন, চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেও মার্কিন বাহিনী সংযম বজায় রেখে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে 이런 পদক্ষেপ নিচ্ছে।

হকিন্স আরও জানান, হামলার লক্ষ্য ছিল দক্ষিণাঞ্চলের বন্দরনগরী বান্দার আব্বাসের নিকটবর্তী একটি এলাকা। বান্দার আব্বাসে ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটি আছে, যা কৌশলগতভাবে হরমুজ প্রণালীর তীরে অবস্থিত।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের উদ্ধৃত প্রতিবেদন বলছে, বিস্ফোরণের শব্দ শোনা মাত্রই ইরানি কর্মকর্তারা ঘটনাটি তদন্ত শুরু করেছেন। তবে ইরানি কর্তৃপক্ষ এখনও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেয়নি। ঘটনার প্রভাব ভবিষ্যৎ শান্তি চুক্তির উপর কী হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কিছু অগ্রগতি হয়েছে, কিন্তু সংঘাত নিরসনে এখনই কোনো চূড়ান্ত চুক্তি হবে—এমন প্রত্যাশা ঠিক নয়।

গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে দুই পক্ষ কিছুটা সমঝোতার কাছাকাছি এসে পৌঁছেছে এবং তিনি আলোচকদের ‘তাড়াহুড়ো না করতে’ বলেছেন। মার্কো রুবিওও বলেছিলেন, সোমবারের মধ্যেই কোনো সমঝোতা হতে পারে—তবে ইরানের মুখপাত্রের মন্তব্য থেকে বোঝা যায় চূড়ান্ত চুক্তি এখনও দূরে।

আলোচনায় থাকা সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারকে বলা হচ্ছে—৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি বাড়ানো, হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করা এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আরও আলোচনা চালানো। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দ করা অর্থ মুক্তি ও পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার মতো নাজুক বিষয়গুলো পরে আলোচনায় উঠবে বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোতে বলা হয়েছে।

কিছু মার্কিন গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনি বর্তমানে গোপন স্থানে অবস্থান করছেন এবং যুদ্ধের প্রথম দিন ইসরায়েলি হামলায় তাঁর পরিবারে ক্ষতি হওয়ার পর যোগাযোগে জটিলতা দেখা দিয়েছে—যার কারণে আলোচনার গতি ধীর রয়েছে। এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি এবং ইরানি পক্ষ থেকে তা নিশ্চিত করা হয়নি।

পটভূমি: ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বড়সড় হামলার পরে পরবর্তী রাশায় সংঘাত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। জবাবে ইরানও প্রতিহিংসা হিসেবে প্রতিবেশি দেশগুলোতে হামলা চালায় এবং কার্যত হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ করে দেয়, যার ফলে আন্তর্জাতিক তেলবাজারে দাম বাড়ে। ৮ এপ্রিল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধবিরতিতে থাকা সত্ত্বেও উত্তেজনা কমে নি; ইরান হরমুজ প্রণালীতে চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছে, আর মার্কিন নৌবাহিনী ইরানের বন্দরগুলোর ওপর নজরদারি বাড়িয়ে রেখেছে।

এ পর্যন্ত অভিযোগ-প্রতিবাদের মধ্যে শান্তি চুক্তি কবে ও কী শর্তে হবে তা অনিশ্চয়তার আবর্তে রয়েছে। (সূত্র: বিবিসি ও মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনসমূহ)

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo