1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

শিশুদের ওপর বর্বরতা রোধে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে ইউনিসেফের জোরালো আহ্বান

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬

ইউনিসেফ বাংলাদেশ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশজুড়ে নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে যেসব নৃশংস যৌন নির্যাতন ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, তাতে তারা গভীরভাবে মর্মাহত এবং স্তম্ভিত। শুক্রবার (২২ মে) ইউনিসেফের বাংলাদেশের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্সের প্রকাশিত বিবৃতিতে এই উদ্বেগ ও প্রতিবাদের কথা জানানো হয় এবং বলা হয় — শিশুদের ওপর এই বর্বরতা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ধর্ষণ ও হত্যা সহ শিশুদের বিরুদ্ধে নিরাপদ পরিবেশে ঘটে যাওয়া প্রতিটি সহিংসতা অত্যন্ত শোকজনক। ইউনিসেফ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানায় এবং সমাজে এসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে তাৎক্ষণিক ও সুসংহত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানায়।

২০২৬ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দেশে নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে নৃশংস ও যৌন সহিংসতার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায়, জাতীয় পর্যায়ে শিশু ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা (জিবিভি) প্রতিরোধ ও সুরক্ষা ব্যবস্থাও শক্ত করার জরুরি প্রয়োজন প্রকাশ্য হয়েছে। ইউনিসেফ বলছে—অপরাধীদের বিরুদ্ধে দায়মুক্তির সংস্কৃতি এখনই ভেঙে ফেলতে হবে এবং প্রতিরোধ, অভিযোগ গ্রহণ, প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা, শিশুবান্ধব পুলিশ ও বিচারব্যবস্থা গঠন করা এবং সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাগুলোকে শক্ত করা দরকার।

এছাড়া মনস্তাত্ত্বিক সহায়তা প্রদান নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা, কর্মক্ষেত্র, পাড়া-মহল্লা ও পরিচর্যা কেন্দ্রসহ যেখানে যেখানে শিশুরা থাকে, সেসব ক্ষেত্রে আরও কড়া জবাবদিহি ও সুরক্ষানীতি বাস্তবায়ন করতে হবে।

ইউনিসেফ সতর্ক করেছেন, সম্প্রদায় যখন নীরব থাকে তখন সহিংসতা ছড়ায়। কাজেই শিশু, নারী, পরিবার ও সম্প্রদায়ের সবাইকে উপলব্ধ সুরক্ষা পরিষেবাগুলো সম্পর্কে জানার এবং প্রয়োজনে এগুলোর মাধ্যমে সহিংসতা বা শোষণের অভিযোগ জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুরা সহায়তা পাইতে পারে চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮-এ জানিয়ে; ওই পরিষেবাটি প্রয়োজন অনুযায়ী রেফারেল ও সহায়তা প্রদান করে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, নির্যাতিত শিশু ও নারীরা মর্যাদা রক্ষার অধিকার রাখেন। তাদের ছবি, ভিডিও বা পরিচয় প্রকাশ করা নিজেই একটি অতিরিক্ত নির্যাতন। এসব সামগ্রী শেয়ার বা পুনঃশেয়ার করলে ভুক্তভোগীর মানসিক কষ্ট বেড়ে যায়, তাদের পরিবারও ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ঘটনার প্রতি অসম্মান আরও বাড়ে।

সর্বশেষে ইউনিসেফ জনসাধারণ, গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের প্রতি অনুরোধ জানায়—ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের অধিকারকে সম্মান করুন, সংবেদনশীল তথ্য বা ছবি শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন এবং অপরাধীদের বিচারের অভাবে স্তব্ধ না থেকে সুরক্ষা ব্যবস্থা শক্ত করার দাবিতে সোচ্চার হন। সমাজ, বিদ্যালয়, বাড়ি কিংবা জনপরিসরে প্রতিটি শিশুর গল্প, ছবি ও পরিচয়ের ক্ষেত্রে তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা আমাদের সকলের দায়িত্ব।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo