1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:১৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

খাটের নিচে দেহ, বাথরুমে মাথা: রামিসা হত্যা — পুলিশের প্রাথমিক ধারণা

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২০ মে, ২০২৬

রাজধানীর মিরপুরে সাত বছরের স্কুলছাত্রী রামিসা আক্তারের হত্যাকে কেন্দ্র করে পুলিশ বলছে, শিশুটিকে বিকৃত যৌনলালসার শিকার করার পরে গুম করা হতে পারে। মৃত্যুর ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রামিসা স্থানীয় পপুলার স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সময় ওই ফ্ল্যাটে শুধু স্বামী-স্ত্রী দুজনই ছিলেন। মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের দুজনকেই আটক করা হয়।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন নজরুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার সকালে রামিসার মা মেয়েকে স্কুলে পাঠানোর জন্য ডেকে খুঁজতে থাকেন। এক পর্যায়ে শিশুটির একটি জুতা দরজার সামনে দেখতে পান। সন্দেহ হলে পাশের ফ্ল্যাটে খোঁজ করতে যান। দরজায় ধাক্কাধাকি করার পরও কেউ দরজা খুলেননি। আশপাশের লোকজন জড়ো হলে সবাই মিলে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে রামিসার মরদেহ উদ্ধার করেন।

পুলিশের বর্ণনায়, মরদেহের অবস্থায় মূল শরীর খাটের নিচে পাওয়া গেছে এবং বাথরুমে মাথা আলাদা ভাবে রাখা ছিল। ভেতরে গিয়ে দেখা যায় মাথা কাটা ও হাত কাটা অবস্থায় মরদেহ রাখা ছিল, যা পুলিশ মনে করছে হয়তো শরীর লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল। ঘটনার সময় মূল আসামি জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে গিয়েছিলেন। পরে প্রযুক্তির সাহায্যে মাত্র সাত ঘণ্টার মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এস এন নজরুল ইসলাম আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা রামিসাকে যৌন নির্যাতনের শিকার করা হয়েছে এবং এরপর শ্বাসরোধে হত্যা করা হতে পারে—কারণ নির্যাতন সমাজে প্রকাশিত হওয়ার ভয়ে এমন কাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে তারা মনে করছেন। তবে ধর্ষণের বিষয়টি ময়নাতদন্ত ও মেডিকেল রিপোর্টে নিশ্চিত হবে।

পুলিশের কথায়, অভিযুক্তের স্ত্রী স্বপ্না বলেছেন, অভিযুক্ত জাকির (পুলিশি বর্ণনায় জাকির হোসেন নামে উল্লেখ)কে বিকৃত যৌনরুচি সম্পন্ন ব্যক্তি হিসেবে জানা গেছে। তারা জানিয়েছে অভিযুক্ত তার স্ত্রীর সঙ্গেও নানা সময় নির্যাতন করতো। স্বপ্না গৃহবন্ধ থাকায় দরজা দীর্ঘসময় খোলেননি, ফলে অভিযুক্ত পালানোর সুযোগ পায়—এমনটাই পুলিশের দাবি। পুলিশের অনুমান অনুযায়ী স্বপ্না ঘটনাটিতে সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে।

ঘটনাস্থল ও গ্রেফতারকৃতদের এখন জিজ্ঞাসাবাদ এবং ময়নাতদন্ত/মেডিকেল রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তদন্তকারীরা বলছেন, অপরাধের প্রকৃতি ও দায়-দায়িত্ব নির্ধারণে শিগগিরই আরও তথ্য প্রকাশ করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo