1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
আনোয়ারায় জাহাজে সহকর্মীর ছুরিকাঘাতে থাইল্যান্ডের নাবিক নিহত তথ্যমন্ত্রী: জুলাই–আগস্টের মধ্যে গণমাধ্যম নীতিমালা ও কমিশন গঠন করা হবে হাম প্রাদুর্ভাব রোধে ব্যর্থতার তদন্তে ইনকোয়ারি কমিশন কেন হবে না: হাইকোর্টের রুল জুলাই–আগস্টে গণমাধ্যম নীতিমালা ও কমিশন গঠন হবে: তথ্যমন্ত্রী জুলাই–আগস্টের মধ্যে গণমাধ্যম নীতিমালা ও কমিশন গঠন হবে: তথ্যমন্ত্রী র‍্যাব বদলে যাচ্ছে, নামও বদলাতে পারে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা নোয়াব ঘোষণা: ঈদুল আজহায় সংবাদপত্রে পাঁচ দিনের ছুটি মিটিং শেষে পাটওয়ারী গালিগালাজ করলেও আমি ক্ষুব্ধ নই: সিইসি মিটিং শেষেই গালাগালি করেছেন পাটওয়ারী, তবুও আমি ক্ষুব্ধ নই: সিইসি জিলহজের চাঁদ দেখা গেছে; ঈদুল আজহা ২৮ মে

পাজের পদত্যাগ দাবিতে লা পাজে বাসভবন ঘেরাও, রাজধানী রণক্ষেত্রে

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬

বলিভিয়ার রাজধানী লা পাজ রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে—প্রেসিডেন্ট রুদ্রিগো পাজের পদত্যাগ দাবিতে তার বাসভবন ঘেরাও করে বিক্ষোভকারীরা শহরকে উত্তাল করে তুললে পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ বাধে। সাউন্ড গ্রেনেডের শব্দে কেঁপে উঠেছে রাস্তাঘাট; কাঁদানে গ্যাসে ধোঁয়াশায় ঢেকে যায় বহু পথ।

গেলো দুই সপ্তাহ ধরে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলমান। সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যর্থতার অভিযোগ এনে পাজের পদত্যাগ দাবি করছেন। সোমবার প্রেসিডেন্টের বাসভবন ঘেরাও করতে গেলে সহিংসতা নতুন মাত্রা লাভ করে—প্রতিবাদকারীদের এবং পুলিশের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে।

বিক্ষোভকারীদের একজন বলেন, “আমরা তাঁকে ক্ষমতায় বসিয়েছি। তিনি সরকার চালাতে পারছেন না, তাই পদত্যাগ করা উচিত।” শ্রমিক, কৃষক, খনি শ্রমিক এবং বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। তাদের অভিযোগ—জ্বালানি সংকট, মূল্যস্ফীতি ও ডলারের ঘাটতির কারণে দেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়ার পথে। খনি শ্রমিকরা বিশেষভাবে বিস্ফোরক ও জ্বালানি সরবরাহ ও খনি নীতিমালার পরিবর্তন দাবি করছেন।

পুলিশ অবস্থান নিয়েছে বিক্ষোভ দমন করতে—কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে ফাঁকা গুলি চালানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ছোড়া কাঁদানে গ্যাস ও সংঘর্ষের কারণে সেখানকার রাজপথ মিশ্র ধোঁয়া ও উত্তেজনায় থমথমে হয়ে উঠেছে; কখনো কখনো বিক্ষোভকারীরা সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ করেছেন।

সরকার দাবি করেছে, সাবেক প্রেসিডেন্ট ইভো মোরালেসের সমর্থকরা এই আন্দোলনকে পেছন থেকে অর্থায়ন করছেন। তীব্র অস্থিরতার কারণে দেশজুড়ে সার্ভিস ও সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার ফলে সাধারণ মানুষকে জ্বালানি, খাদ্য ও জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জামের যোগানে সমস্যা দেখা দিয়েছে এবং জীবনযাত্রা কষ্টকর হয়ে উঠেছে।

ঘটনাস্থল ও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি পরিবর্তনশীল। রাজনৈতিক নেতারা মসৃণ সমাধান ও সংলাপের আহ্বান জানালেও মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি ততক্ষণ পর্যন্ত থামেনি যতক্ষণ না সরকার ও প্রতিবাদকারীরা আলোচনায় বসে কার্যকরি সমাধান বের করেন। পরিস্থিতি শান্ত করার পাশাপাশি জনগণের মৌলিক চাহিদা মেটানোর তৎপরতা পালন করাই এখন জরুরি, বলছে পর্যবেক্ষকরা।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo