1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ১১:৪০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নোয়াব ঘোষণা: ঈদুল আজহায় সংবাদপত্রে পাঁচ দিনের ছুটি মিটিং শেষে পাটওয়ারী গালিগালাজ করলেও আমি ক্ষুব্ধ নই: সিইসি মিটিং শেষেই গালাগালি করেছেন পাটওয়ারী, তবুও আমি ক্ষুব্ধ নই: সিইসি জিলহজের চাঁদ দেখা গেছে; ঈদুল আজহা ২৮ মে মুগদা মান্ডা থেকে ৮ টুকরো মরদেহ উদ্ধার, র‌্যাব জানায় নিহত সৌদি প্রবাসী মুকাররম প্রধানমন্ত্রী ও তারেক রহমান অংশ নেন মিজানুর রহমান সিনহার জানাজায় আইভীর জামিন বহাল; কারামুক্তির পথে আর আইনগত বাধা নেই হাইকোর্টের জামিন বহাল: আইভীর কারামুক্তিতে আর আইনি বাধা নেই প্রধানমন্ত্রীসহ শীর্ষ নেতারা সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজায় অংশ নেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী

অবহেলায় ভেঙে পড়ার পথে রাজ কাপুর ও দিলীপ কুমারের পৈতৃক বাড়ি

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

বলিউডের দুই কিংবদন্তি রাজ কাপুর ও দিলীপ কুমারের পৈতৃক বাড়ি পাকিস্তানের পেশোয়ারে। কেউ আর এই পৃথিবীতে না থাকলেও তাদের স্মৃতিস্তল আজও সেখানে আছে—তবে ঝুঁকির সামনে দাঁড়িয়ে। স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘ অবহেলার ফলে দু’টি বাড়ির অবস্থা এতটাই নাজুক যে যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত চার-পাঁচ বছরে সরকারি কোনো রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম চালানো হয়নি। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ জানিয়েছে, ঝড়বৃষ্টি ও আবহাওয়ার দাপটে ভবনগুলো হাড্ডিজোরে দুর্বল হয়ে পড়েছে। সাম্প্রতিক ভূকম্প যেন এই ক্ষতকে আরও প্রগাঢ় করেছে; অবকাঠামোগত দিক থেকে ভবনগুলো নড়বড়ে হয়ে উঠেছে।

স্থানীয়রা জানায়, যদি দ্রুত পরিস্থিতি ঠিক না করা হয় তাহলে কয়েক দিনের মধ্যে এই ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো মাটিতে মিলেও যেতে পারে। উল্লেখ্য, পাকিস্তান সরকার ২০১৬ সালে এই দুটি বাড়িকে ‘জাতীয় ঐতিহ্য’ হিসেবে ঘোষণা করেছিল।

সরকারি অনুদান দু’দফায় বরাদ্দ হলেও তা কার্যকরভাবে কাজে লাগেনি। ২০২১–২২ সালে খাইবার পাখতুনখোয়া সরকার বাড়ি দুটি কেনার জন্য ২.৩৫ কোটি পাকিস্তানি রুপি বরাদ্দ করে এবং নির্দেশ দেয় প্রত্নতত্ত্ব বিভাগকে এগুলো জাদুঘরে রূপান্তরের ব্যবস্থা করতে। পরে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে প্রাদেশিক সরকার ঐতিহাসিক ভবনগুলোর পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণের জন্য ৩৩.৮ মিলিয়ন পাকিস্তানি রুপি অনুমোদন করে।

কিন্তু বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও সেই অর্থ এখনও হাতে আসেনি—এই শর্তেই প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ কাজ শুরু করেনি, বলে জানানো হয়েছে। ফলে অযত্ন, ঝড়বৃষ্টি, বাড়িগুলোর আনাচকানাচে গজানো আগাছা আর জমে থাকা আবর্জনা ক্রমশ ভবনগুলোকে খানাই নিতে শুরু করেছে।

রাজ কাপুরের বাড়িটি পেশোয়ারের খাওয়ানি বাজারে; এটি ১৯১৮ সালে অভিনেতার পিতামহ দেওয়ান বিশ্বেশ্বরনাথ কপূর নির্মাণ করেছিলেন এবং রাজ কাপুরও এখানে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। দিলীপ কুমারের বাড়িটি মহল্লা খুদাদাদ এলাকায়, পেশোয়ারি আড়ম্বরী নকশায় গড়ে উঠেছিল। একসময় জীবন্ত ও সরগরম এই অঞ্চল আজ ছায়াসত্যে ভেঙে পড়ার অপেক্ষায়।

উইতরণ না হলে ইতিহাসের এই টুকরোগুলো হারিয়ে যেতে পারে—স্থানীয়রা এমনই আশঙ্কা জানাচ্ছেন। সরকারের কাছে এখন সময়োপযোগী তহবিল মুক্তির দাবি জোরালো করে উঠছে, যাতে দ্রুত সংস্কার ও সংরক্ষণ করে ভবনগুলো বাঁচানো যায়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo