1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

ধসে পড়ার আশঙ্কায় রাজ কাপুর ও দিলীপ কুমারের পেশোয়ারের পৈতৃক বাড়ি

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

বলিউডের দুই কিংবদন্তি—রাজ কাপুর ও দিলীপ কুমারের পৈতৃক বাড়ি পাকিস্তানের পেশোয়ারে ঝুকির মুখে। দীর্ঘ neglect ও আবহাওয়ার পরীক্ষা-নিরীক্ষায় বাড়িগুলো এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে যে স্থানীয়রা বলছেন, যেকোনো সময় এগুলো ভেঙে পড়তে পারে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, গত ৪–৫ বছরের মধ্যে সরকারিকভাবে বাড়ি দুটি রক্ষণাবেক্ষণের কোন কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ বলেছে, ঝড়বৃষ্টি ও দীর্ঘকালীন অবহেলার কারণে কাঠামোগত সমস্যাগুলো তীব্রতর হয়েছে। সাম্প্রতিক ভূমিকম্পগুলো পরিস্থিতি আরো জটিল করেছে — যেমন মরার উপর খাঁড়ার ঘা।

স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, যদি সরকার দ্রুত হস্তক্ষেপ না করে, তাহলে কয়েক দিনের মধ্যেই এই ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো মাটিতে মিশে যেতে পারে। বর্তমানে বাড়িগুলোর ছাদ-দেওয়াল ফাটল ধরেছে, ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ ঠিক করা হয়নি, বাড়ির আঙ্গিনা ও চারপাশে আগাছা ও আবর্জনা জমে আছে।

পাকিস্তান সরকার ২০১৬ সালে এই দু’টি বাড়িকে ‘জাতীয় ঐতিহ্য’ হিসেবে ঘোষণা করেছিল। এরপর দুটি বাড়ি সংরক্ষণ ও জাদুঘরে রূপান্তরের লক্ষ্যে আলাদা আলাদা সময়ে অর্থ বরাদ্দ করা হয়। ২০২১–২২ সালে খাইবার পাখতুনখোয়া সরকার বাড়ি দুটি কিনে সংগ্রহস্থলে রূপান্তরের জন্য ২.৩৫ কোটি পাকিস্তানি রুপি বরাদ্দ করেছিল। পরে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে প্রাদেশিক সরকার ঐতিহাসিক ভবনগুলোর পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণের জন্য ৩৩.৮ মিলিয়ন পাকিস্তানি রুপি অনুমোদন করে।

তবুও অবস্থা অপরিবর্তিত থাকায় প্রশ্ন উঠছে বরাদ্দ অর্থ কার্যকরভাবে কেন কাজে লাগেনি। সরকারি সূত্র বলেছে, সংরক্ষণের জন্য অনুদান অনুমোদিত থাকলেও নির্ধারিত তহবিল এখনও হাতে আসেনি; ফলে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগও কাজ শুরু করতে পারেনি।

রাজ কাপুরের বাড়িটি পেশোয়ার শহরের খাওয়ানি বাজার এলাকায়। খবর অনুযায়ী, অভিনেতার পিতামহ দেওয়ান বিশ্বেশ্বরনাথ কপূর ১৯১৮ সালে বাড়িটি নির্মাণ করেন এবং রাজ কাপুরও এখানেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন। অন্যদিকে দিলীপ কুমারের পৈতৃক বাড়িটি মহল্লা খুদাদত অঞ্চলে, ‘পেশোয়ারি’ স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত। এক সময় এই দুই বাড়ি সরগরম ও জীবন্ত স্মৃতি بود—কিন্তু আজ তা ধ্বংসপ্রবণ অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে।

সংরক্ষণ না হলে কেবল ইট-পাথরই নয়, দক্ষিণ এশিয়ার চলচ্চিত্র ইতিহাসের অমূল্য স্মৃতি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যও হারিয়ে যাবে—এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, জরুরি ভিত্তিতে স্থাপত্য সংরক্ষণ প্রকল্প কার্যক্রম শুরু করে নীরবতা ভাঙতে হবে; না হলে সময় হাতে নেই।

স্থানীয়রা এখন সরকারি হস্তক্ষেপ ও দ্রুত অর্থায়নের 요청 জানাচ্ছেন, যাতে এগুলো সংস্কার করে জাদুঘর বা সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে রূপান্তর করা যায় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষিত রাখা যায়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo